সংসদ ভেঙে দিয়ে সব প্রার্থীর সমান সুযোগ চায় সিপিবি

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭ | ৯ কার্তিক ১৪২৪

সংসদ ভেঙে দিয়ে সব প্রার্থীর সমান সুযোগ চায় সিপিবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১২:৫১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০১৭

print
সংসদ ভেঙে দিয়ে সব প্রার্থীর সমান সুযোগ চায় সিপিবি

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার আগেই সংসদ ভেঙে প্রতিদ্বন্দ্বিপ্রার্থীদের মধ্যে সমতা বিধান করার প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ধারাবাহিক সংলাপে অংশ নিয়ে বৃহস্পতিবার দলটি এ প্রস্তাবনা দেয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা সংলাপে সভাপতিত্ব করেন।

সিপিবির  সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।

দলটির লিখিত প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, তফসিল ঘোষণার পূর্বেই বিদ্যমান জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিপ্রার্থীদের মধ্যে সমতা বিধান করতে হবে; জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে ইসির অধীনে, কোনো সরকারের অধীনে নয়। এ উদ্দেশ্যে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।

এছাড়া যতদিন সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা চালু না হচ্ছে, ততদিন আরো তিনটি ব্যবস্থা রাখতে হবে।

নির্বাচনকালীন সময় সরকারের কর্তৃত্বকে সাংবিধানিকভাবে সংকুচিত করে তার অন্তর্বর্তীকালীন কাজ তত্ত্বাবধানমূলক ও অত্যাবশ্যক রুটিন কিছু কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ১০০ তে উন্নীত ও সরাসরি ভোট করতে হবে; নির্বাচিত প্রতিনিধি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ ওই প্রতিনিধিকে প্রত্যাহারের বিধান করতে হবে; না ভোটের বিধান যুক্ত করতে হবে।

এছাড়া অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেয়ার ব্যবস্থা করা; স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১% ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহের বিধান অগণতান্ত্রিক বিধায় তা বাতিল করা; জাতীয়ভিত্তিক সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা চালু করা; জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হতে হলে কোনো ব্যক্তিকে কমপক্ষে ৫ বছর রাজনৈতিক দলের সক্রিয় সদস্য হতে হবে; নির্বাচনে টাকার খেলা বন্ধ করা; নির্বাচনে সন্ত্রাস, পেশিশক্তির প্রভাব ও দুর্বৃত্তমুক্ত করা; নির্বাচনে ধর্ম, সাম্প্রদায়িকতা ও আঞ্চলিকতার অপব্যবহার রোধ করা; নির্বাচনে সকলের সম-সুযোগ নিশ্চিত করা; নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণে ও নির্বাচন পরিচালনায় স্বচ্ছতা বিধান করা; নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনী আইন ও বিধির সংস্কার করা; নির্বাচনী বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্বতন্ত্র আদালত গঠন করতে হবে। নির্বাচনী বিরোধ তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা এবং এই রায় এর প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতে এক মাসের মধ্যে নিষ্পত্তিমূলক রায় প্রদান বাধ্যতামূলক করা ইত্যাদি।

এ পর্যন্ত ৩১টি দলের সঙ্গে বসলো ইসি। এছাড়া দুপুর ২টায় গণতন্ত্রী পার্টির সঙ্গে সংলাপ করবে কমিশন।

এইচকে/এসবি

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad