প্রধানমন্ত্রীকে সর্তক থাকার পরামর্শ রিজভীর

ঢাকা, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৮ আশ্বিন ১৪২৪

প্রধানমন্ত্রীকে সর্তক থাকার পরামর্শ রিজভীর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১:২৮ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০১৭

print
প্রধানমন্ত্রীকে সর্তক থাকার পরামর্শ রিজভীর

‘জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালে আমাকে দেশে আসতে বাধা দিয়েছিল’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর গতকালের (বুধবার) বক্তব্য ছিল তার স্বভাবসূলভ ও মিথ্যাচারে ভরপুর।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘১৯৮১ সালে ১৭ মে তাহলে দেশে আপনি কী করে ঢুকলেন? তখন তো জিয়াউর রহমানই রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন। বরং আপনি দেশের আসার তের দিনের মাথায় জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেন। মানুষ এও বিশ্বাস করে যে, আপনার পথের কাঁটা ভেবে আপনার পৃষ্ঠপোষকরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ সন্তান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়েছে।’

রিজভী বলেন, গতকাল প্রধানমন্ত্রী কিছুটা হলেও উপলব্ধি করেছেন যে, ১৫ আগষ্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে আওয়ামী লীগের নেতারাও জড়িত ছিল। তাই অন্যদের দিকে অভিযোগ করে কোন লাভ নেই, আপনার আশেপাশের লোকদের সম্পর্কেই সতর্ক থাকুন।

তিনি বলেন, ‘যে গণতন্ত্রকে বন্দী করেছেন সেটিকে মুক্ত করুন, মানুষের নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দিন, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিন, আপনাদের অন্তরে অম্লান আবারো একদলীয় নির্বাচনের বাসনা পরিত্যাগ করুন, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। হিংসাপরায়ণ রাজনীতি পরিহার করুন, মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য, কদর্য ও কুৎসিত রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া থেকে নিজেদের বিরত রাখুন। গণতন্ত্রের ধারা সচল থাকলে অশুভ শক্তি মাথাচাড়া দিতে পারেনা।’

মিথ্যা মামলায় বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে তার জামিন নামঞ্জুর  করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি সরকারের প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির আরেকটি বর্ধিত প্রকাশ। স্বেচ্ছাচার ও দুর্নীতির চাপে গণতন্ত্র ও বহুত্ত্ববাদকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে সরকার জনরোষকে আটকানোর জন্য বিএনপি’র সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে কারাগারে আটকিয়ে রাখছে। বরকত উল্লাহ বুলুকে আটক সেই অশুভ পরিকল্পনারই অংশ।’

এসময় তিনি বলেন, ‘শরীয়তপুর জেলাধীন ভেদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ধানের শীষের প্রার্থী নুর উদ্দিন দর্জি ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ধানের শীষ মনোনীত চেয়ারম্যান নুর উদ্দিন দর্জি যাতে দায়িত্ব পালন করতে না পারে সেজন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান, নাজমুল হক নান্নু, শহীদ উদ্দিন চৌধূরী এ্যানী, এবিএম মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

এমএইচ/এসবি

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad