ঢাকা-১০ আসনে প্রচারণার দশম দিনে বিএনপির শোডাউন
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০ | ২৪ চৈত্র ১৪২৬

ঢাকা-১০ আসনে প্রচারণার দশম দিনে বিএনপির শোডাউন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৯:৩৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১০, ২০২০

 ঢাকা-১০ আসনে প্রচারণার দশম দিনে বিএনপির শোডাউন

ঢাকা-১০ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের প্রচারণায় ব্যাপক শোডাউন করেছে বিএনপি। প্রচার-প্রচারণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী মঙ্গলবার সংসদীয় এলাকায় ব্যাপক ভিত্তিক গণসংযোগ চালায় দলটি।

এ সময় ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করা বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। তাদের নেতৃত্বে দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়। এতে নির্বাচনী প্রচারণা পরিণত হয় দলীয় শোডাউনে।

প্রচারণা শেষে এক সমাবেশে শেখ রবিউল আলম ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে রয়েছি। আপনারা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসুন। এবারও যদি আপনাদের রায় নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রতারণা করে তবে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।’

সকালে রুটিন গণসংযোগের পর বিকাল চারটার দিকে রাজধানীর জিগাতলা থেকে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা শুরু হয়।

এসময় অন্যদের মধ্যে বিএনপি'র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন-অর-রশিদসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী প্রচারণা হলেও এসময় নেতাকর্মীরা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চেয়েও স্লোগান দেন।

পরে সন্ধ্যা ছয়টায় সমাপনী সমাবেশে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম বলেন, নির্বাচনে অপকৌশল গ্রহণ করলে রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগকে চরম মূল্য দিতে হবে। জনগণ জেগে উঠেছে। তাদের রায়কে আর ডাকাতি করা যাবে না।

প্রচারণাকালে ১৪ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরো এলাকা প্রদক্ষিণ করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

‘গণসংযোগকে জনজোয়ার’ উল্লেখ করে রবি আরো বলেন, আজকে গণসংযোগে যেরকম জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন তেমনি নির্বাচনের দিনও থাকবেন। গত জাতীয় নির্বাচন ও সিটি নির্বাচনে বিএনপির নেতাকর্মীরা কেন্দ্রে গিয়েছেন। তাদেরকে সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোট দিতে দেয়নি। রাষ্ট্র, প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ একাকার হয়ে গিয়েছিল। রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যায় না। ওরা দুইশত ছিল, আমি যদি পাঁচশত নিয়ে যেতাম তাহলে পরিস্থিতি কি হতো? সংঘাত হত, অনেকে আহত হত। তাতে কি রাষ্ট্র লাভবান হতো। সুষ্ঠু ভোটের নিশ্চয়তা সরকারের দিতে হবে।

প্রচারণায় অংশ নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচনী ব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশন বলে কিছু নেই। ইসিতে কিছু সরকারের চাটুকারেরা বসে আছেন। একজন কমিশনার মাঝে মাঝে সাহসী কথা বলেন, যা যথেষ্ট নয়। নির্বাচনের দিন একটা লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে বলবেন এটা ঘোষণা করেন। সেরকম জঘন্য একটা রাষ্ট্রে বাস করছি। এ থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, মহান স্বাধীনতার ঘোষকের দল বিএনপি'র উপর দায়িত্ব রয়েছে। তাই সকল দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্তত নির্বাচনী ব্যবস্থার একটা স্থায়ী সমাধান করি। যাতে পাঁচ বছর পর পর একটা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এমএইচ/পিএসএস

 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও