উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রবি, শিপন, সাদিক
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০ | ১৮ চৈত্র ১৪২৬

উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রবি, শিপন, সাদিক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১০:৫৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০

উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রবি, শিপন, সাদিক

আসন্ন তিন সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। সোমবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মনোনয়ন বোর্ডে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শেষে মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করা হয়। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

ঢাকা-১০ আসনে শেখ রবিউল আলম রবি, বাগেরহাট-৪ আসনে কাজী খায়রুজ্জামান শিপন এবং গাইবান্ধা-৩ আসনে অধ্যাপক ডা. মাইনুল হাসান সাদিককে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী করা হয়।
 
লন্ডন থেকে স্কাইপে যুক্ত হয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনোনয়ন বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করেন।
 
এর মধ্যে ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী অনেকটা চূড়ান্তই ছিলো। দলের সিদ্ধান্তে এ আসনে একজন মনোনয়ন প্রত্যাশীই দলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। সাক্ষাতকার শেষে এ আসনের প্রার্থী হিসেবে শেখ রবিউল আলম রবিকে চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়। তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ধানমন্ডি থানা বিএনপির সভাপতি। 
 
শেখ রবিউল আলম রবি জানান, তিনি তৃণমূলের থেকে রাজনীতির প্রতিটি ধাপ অতিক্রম করে এ পর্যন্ত এসেছেন। জনগণের সেবা করার জন্যই রাজনীতি করছেন। আর এই রাজনীতির জন্য তাকে সাতবার কারাগারে যেতে হয়েছে। রাজনৈতিক মামলা রয়েছে দেড় শতাধিক। এরপরও তিনি জাতীয়তাবাদের আদর্শের রাজনীতিতে অবিচল রয়েছেন। 
 
নির্বাচন সুষ্ঠু হলে, নিয়মাতান্ত্রিক হলে, ক্ষমতাসীন দল ও নির্বাচন কমিশন কোন ধরণের ছলচাতুরি না করলে, ভোট কেন্দ্র দখল না করলে এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে তিনি শুধু জয়ী হবেন না, বিপুল ভোটের রেকর্ড করবেন।
 
গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মাইনুল হাসান সাদিক বলেন, এর আগের উপনির্বাচনেও তাকে দলের প্রার্থী করা হয়েছিল। এবারও দল তাকে মূল্যায়ন করেছে। দলকেও তিনি ভালো উপহার দিতে পারবেন যদি নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হয়। 
 
কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বলেন, তিনি দলের সিদ্ধান্তকেই তৃণমূলের সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন। তিনি সবাইকে নিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
 
মনোনীত তিনজনই সাংবাদিকদের বলেছেন, তারা এক প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
 
ঢাকা-১০, বাগেরহাট-৪ এবং গাইবান্ধা-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়নের জন্য ৮ জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। এরা হলেন, ঢাকা-১০ আসনে শেখ রবিউল ইসলাম রবি, বাগেরহাট-৪ আসনে কাজী মনিরুজ্জামান, মনিরুল হক, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, ফারহানা জামান নিপা এবং  গাইবান্ধা-৩ আসনে সৈয়দ মাইনুল হাসান সাদিক, রফিকুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান সরকার।
 
ঢাকা-১০ আসনে শেখ ফজলে নূর তাপস সংসদ সদস্যের পদ ছেড়ে দেওয়ায়, বাগেরহাট-৪ আসনে মোজাম্মেল ও গাইবান্ধা-৩ আসনে ইউনুস আলী সরকার মৃত্যুবরণ করায় সংসদের আসনসমূহ শূন্য হয়।
 
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী তিন আসনে উপনির্বাচনে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা, ২৩ ফেব্রুয়ারি দাখিল বাছাই এবং ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে। আগামী ২১ মার্চ ভোট গ্রহণ করা হবে।
 
সভায় মহাসচিব ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল  মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।
 
এমএইচ/পিএসএস
 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও