ইসির উচিত ছিলো আগেই সক্রিয় থাকা: তা‌বিথ

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৬

ইসির উচিত ছিলো আগেই সক্রিয় থাকা: তা‌বিথ

জ্যেষ্ঠ  প্র‌তি‌বেদক ১২:২৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২০

ইসির উচিত ছিলো আগেই সক্রিয় থাকা: তা‌বিথ

ঢাকা উত্তর সি‌টি কর‌পোরশ‌নের বিএন‌পির মেয়র প্রার্থী তা‌বিথ আউয়াল ব‌লে‌ছেন, ‘নির্বাচন ক‌মিশ‌ন কতটুকু নির‌পেক্ষ কাজ কর‌ছে তা দেখার বিষয়। গতকাল‌ আমার প্রচারণায় হামলা হ‌য়ে‌ছে। অনেকে আহত হ‌য়েছে। আমরা নির্বাচন ক‌মিশন‌কে জা‌নি‌য়ে‌ছি। তারা তদন্ত ক‌মি‌টি গঠন ক‌রে‌ছেন। ৪৮ ঘণ্টা সময় নি‌য়ে‌ছেন। আমরা অপেক্ষা কর‌ছি, আমরা দেখ‌তে চাই  তারা কি পদ‌ক্ষেপ নেয়।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ক‌মিশ‌নের (ইসি) উচিত ছিল আগে থেকেই অ্যাক‌টিভ হওয়া। একজন ম্যা‌জি‌স্টেট‌কে স‌ঙ্গে রাখা।’

বুধবার পৌ‌নে ১১টায় আশ‌কোনা হাজী ক্যাম্প থে‌কে গণসং‌যোগ শুরুর আগে পথসভায় তি‌নি এসব কথা ব‌লেন। এরপ‌রে তিনি গাওয়াইর কাজীবাড়ী হয়ে দক্ষিণ খান বাজারে পথসভায় যোগ দে‌বেন।

তা‌বিথ আউয়াল ব‌লেন, ‘বিএন‌পি চেয়ারপারস‌ন বেগম খা‌লেদা জিয়ার মু‌ক্তি সারা দেশের মানু‌ষের মু‌ক্তির সংগ্রাম। মানুষ ভোট দি‌য়ে জা‌নি‌য়ে দি‌তে চায় কেউ দুর্নী‌তি আর অপশাসন চায় না। জনগণ ভোট দি‌তে পার‌লে ধা‌নের শী‌ষের বিজয় হ‌বে ইনশাল্লাহ।

ধা‌নের শী‌ষের প্রচারণার পা‌শেই আওয়ামী লী‌গের প্রচারণা চল‌ছে। এতে সংঘর্ষ হওয়ার আশঙ্কা আছে কিনা সাংবা‌দিক‌দের এমন প্র‌শ্নের জবা‌বে তি‌নি ব‌লেন, ‘আওয়ামী লী‌গের কর্মীরাও তা‌দের নেতা‌দের কথা ও কাজ দে‌খে ঘৃণা প্রকাশ কর‌ছে এবং বিরক্ত হ‌চ্ছে। সবাই চায় আনন্দ উৎস‌বের ম‌ধ্যে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন। কিন্তু আওয়ামী লী‌গ নেতারা সেটা চায় না।

আ স ম আব্দুর রব ব‌লেন, আপনারা ভোটকেন্দ্রে যা‌বেন। বিকেল ৪টা পযর্ন্ত ভোট দি‌য়ে ফলাফল না নি‌য়ে বা‌ড়ি ফির‌বেন না। এটা আপনা‌দের ন্যায্য অধিকার। বিএন‌পির প্রার্থী, ঐক্যফ্র‌ন্টের প্রার্থী, ধা‌নের শী‌ষের প্রার্থী তা‌বিথ আউয়ালকে ভোট দি‌য়ে জয়যুক্ত করুন।

‌তি‌নি ব‌লেন, তা‌বিথ আউয়ালকে ভোট দি‌লে মে‌ট্রোপ‌লিটন সরকার করা হ‌বে। আপনারা নিরাপ‌দে রাজধানী‌তে বসবাস কর‌তে পার‌বেন।

এসময় উপ‌স্থিত ছি‌লেন, বিএন‌পি সাংগঠ‌নিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ, যুবদ‌লের সভাপ‌তি সাইফুল আলম নীরব, যুবদল উত্ত‌রের সভাপ‌তি এসএম জাহাঙ্গীর হো‌সেন, সাধারণ সম্পাদক স‌ফিকুল ইসলাম মিল্টনসহ বিএন‌পি ও তার অঙ্গ সহ‌যো‌গী সংগঠ‌নের নেতাকর্মীরা।

এমএইচ/এইচআর

 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও