‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই বইমেলায় থাকবে না’

ঢাকা, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১২ ফাল্গুন ১৪২৬

‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই বইমেলায় থাকবে না’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৯:০৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২০

‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই বইমেলায় থাকবে না’

এবারও একুশে বইমেলার স্টলে ‘ধর্মীয় উসকানিমূলক’ বইয়ের বিষয়ে নজরদারি থাকবে জানিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার ডিএমপি সদর দপ্তরে একুশে বইমেলার নিরাপত্তা নিয়ে এক সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই বইমেলায় থাকতে দেওয়া যাবে না।

সমন্বয় সভায় পুলিশ কমিশনার বলেন, বইমেলা বাংলা একাডেমি আয়োজন করলেও আমরা (পুলিশ) এর একটি অংশ হয়ে গেছি। বইমেলা ঘিরে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে বাঙালির প্রাণের মেলা সফলভাবে শেষ করতে পারব।

বাংলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সভায় জানান, মোট ৫৩৮টি প্রকাশনা সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান এবারের বইমেলায় অংশ নেবে।

মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকবে ৪১১টি স্টল। আর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২৭টি স্টল বসবে।

সব মিলিয়ে স্টল থাকবে ৮৭২টি। এছাড়া শিশু চত্বর, মসজিদ, টয়লেট, ফুড পার্ক ও প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র থাকবে বইমেলা প্রাঙ্গণে।

বইমেলায় আসা বই ‘মনিটরিং’ করতে থাকবে ‘মনিটরিং কমিটি’। মেলার নিরাপত্তায় তিনশর বেশি সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।

বাঁশ ও টিন দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ ঘিরে শক্ত বেষ্টনী দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি বুক স্টলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোসাম্মৎ জোহরা খাতুন, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক সমিতির সহ-সভাপতি শ্যামল পাল ছাড়াও মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন সমন্বয় সভায়।

ওএস/এসবি

 

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আরও