‘জেলকোডে বলা নেই সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা করাতে হবে’

ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ | ৮ আষাঢ় ১৪২৫

‘জেলকোডে বলা নেই সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা করাতে হবে’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১০:৪৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৮

print
‘জেলকোডে বলা নেই সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা করাতে হবে’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে সরকার সময়ক্ষেপণ করছে অভিযোগ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ইউনাইটেড হাসপাতালেই তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নিন।’

বুধবার রাজধানীতে এক ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জেলকোডের কোথাও বলা নেই যে, শুধু সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা করাতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- ইউনাইটেড হাসপাতালে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে যাবতীয় খরচ দল বহন করবে। পরিবার থেকে বলা হয়েছে- তার চিকিৎসার সব ব্যয় পরিবার থেকে বহন করা হবে। এক্ষেত্রে বিলম্ব করার অর্থই হচ্ছে যে, দেশনেত্রীর জীবন একটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়া।

তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই- অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আশা করি, সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।’

খালেদা জিয়াকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নাকচ করে দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা খুব সুনির্দিষ্টভাবে বলেছি- যিনি রোগী তার আস্থার ব্যাপার আছে। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই- জেলকোডের কোথাও বলা নেই যে, শুধুমাত্র সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা করতে হবে।’

এসময় দেশের বর্তমান অবস্থাকে ‘ভয়াবহ দুঃসময়’ অভিহিত করে এ থেকে উত্তরণে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করতে সকল গণতান্ত্রিক দল ও শক্তির এক হওয়ার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া কোনো কিছুই সম্ভব নয়। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তাকে মুক্ত করে এদেশে আমরা অবশ্যই একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে পারব, ইনশা’আল্লাহ।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সেই নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। যে সংসদ আছে তা ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচনের সময়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

লেবার পার্টির একাংশ কারাবন্দি জোট নেত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান সভাপতিত্বে এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হালিম বক্তব্য রাখেন।

ইফতারে বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, হায়দার আলী, সুজাউদ্দিন, সুকোমল বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, আহসান হাবিব লিংকন, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, জাগপার খোন্দকার লুৎফর রহমান, আসাদুর রহমান খান, মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, খেলাফত মজলিশের মাওলানা শফিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফরিদ উদ্দিন, সহসভাপতি মো. ফারুক রহমান. মোসলেম উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম রাজু, মাহবুবুল ইসলাম খালেদ, আমিনুল ইসলাম, এসএম ই্উসুফ আলী, তানভীর হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা ইফতারে অংশ নেন।

এমএইচ/এমএসআই

 
.




আলোচিত সংবাদ