খালেদার মুক্তির দাবিতে অনশনে নেতাকর্মীরা

ঢাকা, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৪

খালেদার মুক্তির দাবিতে অনশনে নেতাকর্মীরা

মাহমুদুল হাসান ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮

print
খালেদার মুক্তির দাবিতে অনশনে নেতাকর্মীরা

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে পূর্বঘোষিত অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। বুধবার সকাল ১০ থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হয়। বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। অনশনে অংশ নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, সংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ।

আরো আছেন বিএনপি নেতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, জয়নাল আবেদিন ফারুক, সৈয়দ মোয়াজেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাখাওয়াত হোসেন জীবন, আমিনুল হক, ওবায়দুল ইসলাম, আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, হাবিবুল ইসলাম হাবীব, হাবীবুর রশিদ হাবীব, কাজী আবুল বাশার, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ছাড়া অঙ্গ দলের সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, মামুনুর রশিদ মামুন, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, হাফেজ এম এ মালেক, নুরুল ইসলাম নাসিম কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

২০ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে অংশ নিয়েছেন মোস্তফা জামাল হায়দার, শাহাদত হোসেন সেলিম, মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, হামদুল্লাহ আল মেহেদী, জাতীয় দলের এহসানুল হুদা প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। এরপর থেকেই ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

এদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের ষষ্ঠ দিনেও (মঙ্গলবার) সার্টিফায়েড কপি পাননি খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। ফলে পিছিয়ে গেছে তার আপিল আবেদন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া গতকাল বলেছেন, রায়ের কপি আগামীকাল (বুধবার) পেলে পরদিন আপিল ফাইল করা হবে।


উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অপর একটি মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

বৃহস্পতিবারের রায়ে তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন— মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

 

এমএইচ/আরপি
আরও পড়ুন...
বিএনপি থাকছে জিয়া পরিবারেই

 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad