দৈত্যাকৃতির নতুন কৃষ্ণগহ্বর!

ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৮ আশ্বিন ১৪২৪

দৈত্যাকৃতির নতুন কৃষ্ণগহ্বর!

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০১৬

print
দৈত্যাকৃতির নতুন কৃষ্ণগহ্বর!
দৈত্যাকৃতির একটি নতুন কৃষ্ণগহ্বর তথা ব্ল্যাকহোল আবিষ্কার করেছেন নভোচারীরা। ব্রহ্মাণ্ডের নির্জন এক এলাকার ছায়াপথের কেন্দ্রে আবিষ্কৃত অতিকায় একটি ব্ল্যাকহোলটির ওজন সূর্যের তুলনায় এক হাজারে সাতশ' কোটি গুণ বেশি। 

দৈত্যাকৃতির একটি নতুন কৃষ্ণগহ্বর তথা ব্ল্যাকহোল আবিষ্কার করেছেন নভোচারীরা। ব্রহ্মাণ্ডের নির্জন এক এলাকার ছায়াপথের কেন্দ্রে আবিষ্কৃত অতিকায় একটি ব্ল্যাকহোলটির ওজন সূর্যের তুলনায় এক হাজারে সাতশ' কোটি গুণ বেশি।

প্রায় রেকর্ড গড়তে বসা এমন বিশাল ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পাওয়ায় মনে করা হচ্ছে, এ ধরনের ব্ল্যাকহোলকে যতটা বিরল মনে করা হয়েছিল, ততটা বিরল এগুলো নয়।

এখন পর্যন্ত আমাদের ছায়াপথের সূর্যের তুলনায় একশ' কোটি গুণ বড় হাতেগোনা কয়েকটি বৃহত্তম ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পাওয়া গেছে। সবগুলোরই অবস্থান মহাকাশে বিশাল বিশাল সব ছায়াপথ ভিড় করে থাকা অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ছায়াপথগুলোর কেন্দ্রে।

ছায়াপথের অন্যতম বড় গুচ্ছ কোমা ক্লাস্টারে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় ব্ল্যাকহোলটির অবস্থান। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কেলির একদল গবেষক ব্ল্যাকহোলটি আবিষ্কার করেছেন। সূর্যের তুলনায় দুই হাজার একশ' কোটি গুণ বেশি ভরসম্পন্ন বলে বৃহত্তম ব্ল্যাকহোল হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ঠাঁই পেয়েছে ব্ল্যাকহোলটি। এটির অবস্থান এনজিসি-৪৮৮৯ ছায়াপথে।

মহাকাশে কোমা ক্লাস্টারের বিপরীত অবস্থানে তুলনামূলক মরু অঞ্চলে এনজিসি-১৬০০ ছায়াপথে নতুন ব্ল্যাকহোলটির সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। মহাকাশের নির্জন এলাকায় এ ধরনের বিশাল ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।

সাধারণত মহাজগতে কোমা ক্লাস্টারের মতো অসংখ্য ছায়াপথের ভিড়বহুল অঞ্চলগুলোতেই বড় ব্ল্যাকহোল স্বাভাবিক বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। উল্টোটা খুব একটা প্রত্যাশিত নয়। কোমা ক্লাস্টারের মতো অঞ্চল মহাকাশে দুর্লভ। আর এনজিসি-১৬০০'র আকারের ছায়াপথ মাঝারি আকারের ছায়াপথের অঞ্চলে ভীষণ হাতেগোনা রকমের। আর এ ধরনের ছায়াপথ অঞ্চল মোটেই দুর্লভ কিছু নয়।

তাই সদ্য আবিষ্কৃত ব্ল্যাকহোলটি মহাজগতে অসংখ্য বৃহদাকার ব্ল্যাকহোলের মধ্যে একটি হলেও হতে পারে বলে আশা বিজ্ঞানীদের।

বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী নেচারে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা প্রতিবেদনটি।

এনকে

 

print
 
nilsagor ad

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad