দৈহিক সক্ষমতার আদর্শ খাদ্যাভ্যাস

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭ | ৮ কার্তিক ১৪২৪

দৈহিক সক্ষমতার আদর্শ খাদ্যাভ্যাস

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৯:১১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০১৬

print
দৈহিক সক্ষমতার আদর্শ খাদ্যাভ্যাস
খাদ্য মানুষের শরীরকে নানাভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। উপযুক্ত খাদ্যাভ্যাস পুরুষ ও নারীকে দৈহিক এবং মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে। আবার কিছু কিছু খাবার আছে যা নারী-পুরুষের জৈবিক জীবনকে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আসুন জেনে নিই নারী-পুরুষের যৌনজীবনে আদর্শ খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে। 

খাদ্য মানুষের শরীরকে নানাভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। উপযুক্ত খাদ্যাভ্যাস পুরুষ ও নারীকে দৈহিক এবং মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে। আবার কিছু কিছু খাবার আছে যা নারী-পুরুষের জৈবিক জীবনকে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আসুন জেনে নিই নারী-পুরুষের যৌনজীবনে আদর্শ খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে।

 খাবেন:

  • আদর্শ খাদ্যতালিকায় আপনি চকলেট রাখবেন। বিশেষ করে ডার্ক চকলেট। কারণ ডার্ক চকলেট খাওয়ার পর শরীরে প্রচুর পরিমাণ ‘এন্ডোফরমিন’ তৈরি হয়। পুরুষসঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্যে নারীদের জন্য এটি খুবই কার্যকরী। চকলেটের বিকল্প হিসেবে কমলালেবুও মন্দ না। এতে বরং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে না।
  • মানসিক চাপ আর দুশ্চিন্তা স্বাভাবিক যৌনজীবনকে ব্যাহত করে, তাই এক্ষেত্রে নিয়মিত ডিম খাওয়ার বিকল্প নেই। ডিমে থাকে ‘ভিটামিন বি ফাইভ’ এবং ‘ভিটামিন বি-সিক্স’, যা শরীরের স্ট্যামিনা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
  • এখন তরমুজ আর স্ট্রবেরির সিজন। ‘প্রাকৃতিক উদ্দীপক’ হিসেবে এই দুটি ফলকে বিবেচনা করা হয়। এতে ‘সিট্রুলিন’ নামক একধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা রক্তনালীর সংকোচন প্রসারণে সাহায্য করে।
  • যৌন সমস্যার ক্ষেত্রে চটজলদি উপকার পেতে দৈনিক খাওয়ার তালিকায় যোগ করা যেতে পারে পর্যাপ্ত পরিমাণ জাফরান। প্রাকৃতিক ‘অ্যাফ্রোডিসিয়াক’ খাবারের উপকারিতা বিষয়ক সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, এটা যৌন চাহিদা বাড়াতে সহায়ক। ‘ক্রোকাস স্যাটিভাস’ নামক ফুলের গর্ভমুণ্ড বা পরাগধানী শুকিয়ে জাফরান তৈরি করা হয়।
  • প্রতিদিন রসুন খাওয়ার মাধ্যমে আপনি আগাম সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন। নারী-পুরুষ উভয়েরই যৌন প্রক্রিয়া, যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুনের উপকারিতা সুপরিচিত। রসুনে প্রচুর পরিমাণে থাকে ‘অ্যালিসিন’ নামক উপাদান, যা শরীরের বিশেষ স্থানে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।
  •  নারী পুরুষ উভয়ের জন্য আদর্শ খাদ্যতালিকায় সামুদ্রিক মাছ, আখরোট, আদা ও বাদাম থাকা উচিত।

খাবেন না: মার্কিন নিউট্রিশন বিশেষজ্ঞরা গবেষণা করে দেখেছেন, প্রতিদিন ১২০ গ্রাম সয়া সরাসরি বা বিভিন্ন খাবারের মাধ্যমে খেলে শরীরে টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা কমে আসে। তাছাড়া সয়া পুরুষের পুরুষের শুক্রাণুর পরিমাণও কমিয়ে দেয়। তাই সয়া আপনার আদর্শ খাদ্যতালিকা থেকে সরিয়ে নিন। রিফাইন কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাদ্য নারী-পুরুষের যৌনাকাঙ্ক্ষাকে কমিয়ে দেয়। রিফাইন শর্করা টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এছাড়াও রিফাইন করা শর্করায় যে চিনি থাকে তা শরীরের ওজন বাড়ায়। ক্র্যাকার্সে রিফাইন শর্করা প্রচুর থাকে। তাই এই জাতীয় খাদ্য কম খাওয়া বা একেবারে না খাওয়া ভালো। মাদকাসক্ত নারী-পুরুষের জীবনীশক্তি অনেক কমে যায়। অতিরিক্ত মদ বা অ্যালকোহলে যারা আসক্ত তারা যৌনজীবনে সুখী নয়। অতিরিক্ত অ্যালকোহল আপনার শরীরের ইরেক্টাইল ও অর্গাজমে সমস্যা তৈরি করবে। দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। অ্যালকোহল ও রিচ ফুড আপনাকে যে কোনো কাজের প্রতি অনুৎসাহী করে তুলবে। অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক বা হরমোন আছে এমন খাবার আদর্শ খাদ্যতালিকা থেকে সরিয়ে ফেলুন। যেমন, রেড মিটে প্রচুর হরমোন আছে যা বেশি পরিমাণে খেলে শরীরের প্রাকৃতিক হরমোনে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হয়।

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad