কটেজের কক্ষ থেকে পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

ঢাকা, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪

কটেজের কক্ষ থেকে পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৯:০১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০১৬

print
কটেজের কক্ষ থেকে পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোন এলাকার আবাসিক কটেজ থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পিন্টু দে (২৫) নামের এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোন এলাকার আবাসিক কটেজ থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পিন্টু দে (২৫) নামের এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনের সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকার ‘ফাহিমা কটেজ’ থেকে শনিবার সন্ধ্যায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী।

নিহত পিন্টু দে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার রাবার বাগান এলাকার মিলন দের ছেলে।

পরিদর্শক (তদন্ত) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কটেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে পিন্টুর অবস্থান করা কক্ষের বৈদ্যুতিক পাখার সাথে গামছা লাগানো অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে। এসময় সেখানে তার হাতের লেখা একটি চিরকুট ও মোবাইল ফোন পাওয়া যায়।

'চিরকুটে নিহত পিন্টু উল্লেখ করেছেন, তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় এবং মৃত্যুর বিষয়টি পরিবারকে না জানিয়ে কক্সবাজারে লাশের সৎকার করতে।' তবে কি কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা চিরকুটে উল্লেখ করেননি।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রয়েছে বলে জানান পরিদর্শক (তদন্ত) বখতিয়ার।

ফাহিমা কটেজের ম্যানেজার জামশেদ আলম জানান, ৮ এপ্রিল বিকেলে ওই পর্যটক নিজেকে ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে কটেজ কক্ষ ভাড়া নেন। শনিবার বেলা ১২টার দিকে রুম চেক করার সময় ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে বিষয়টি তাকে অবহিত করেন।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় সন্দেহ হলে বিকেলের দিকে কটেজ কক্ষের জানালার ফাঁক দিয়ে ভেতরের অবস্থা লক্ষ্য করে তাৎক্ষণিক বিষয়টি মোবাইলে পুলিশকে জানানো হয়।

পরিদর্শক (তদন্ত) বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, কটেজ কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন থেকে নিহত পিন্টুর পরিবারের স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনরা তার লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য কক্সবাজার আসছেন।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান পরিদর্শক (তদন্ত) বখতিয়ার।

এইচইউ/এসএফ

print
 

আলোচিত সংবাদ