তেলের রকমভেদে এর স্বাস্থ্যগুণ

ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৮ আশ্বিন ১৪২৪

তেলের রকমভেদে এর স্বাস্থ্যগুণ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১০, ২০১৬

print
তেলের রকমভেদে এর স্বাস্থ্যগুণ
নামিদামি প্রসাধনীর চেয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখতে বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখে। প্রকৃতপক্ষে এসব উপাদানের সঙ্গে বিভিন্ন ধরণের কেমিকেল মিশিয়ে প্রসাধন-সামগ্রী প্রস্তুত করা হয়। তাই সম্ভব হলে রূপচর্চায় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করাই শ্রেয়। আসুন আমরা প্রাকৃতিক তেলের ব্যবহারবিধি ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই।

নারিকেল তেল
চুল ও মাথার ত্বকের যত্নে নারিকেল তেল অত্যন্ত জনপ্রিয়। ত্বকের কোমলতা ধরে রাখতেও এটি বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নারিকেল তেল চুলে প্রোটিনের ঘাটতি পুষিয়ে পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করে।

তিল তেল
ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে তিলের তেল। এই তেলে আছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ফাঙ্গাস ইনফ্লেমেশন বা জ্বলুনি কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া নিয়মিত ব্যবহারের ফলে এটি ত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ায়। এতে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

কাঠবাদাম তেল
রূপচর্চায় এই তেলের ব্যবহার প্রসিদ্ধ। চোখের কালি দূর করতে এবং রোদে পোড়া ত্বক সারিয়ে তুলতে কাঠবাদামের তেল কার্যকর। এই তেলে রয়েছে পটাশিয়াম ও জিঙ্ক যা নখ শক্ত করতে সাহায্য করে। তবে কারও অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে এই তেল এড়িয়ে চলা ভালো।

টি ট্রি অয়েল
ব্রণ, র‌্যাশ বা ত্বকের যে কোনো সমস্যায় দারুণ উপকারী টি ট্রি অয়েল। তাছাড়া শ্যাম্পুর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিলে উকুনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চিকেন পক্স বা গুঁটি বসন্তের দাগ থেকে রেহাই পেতেও সাহায্য করে এই তেল। যাদের ব্রণের সমস্যা বেশি, তারা প্রতি রাতে আক্রান্ত স্থানে সামান্য টি ট্রি অয়েল মাখিয়ে ঘুমালে উপকার পাবেন।

অলিভ ওয়েল
শরীরের শুষ্কভাব ও ফাটা ত্বক সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে অলিভ অয়েল। এই তেলে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা নমনীয়তা বজায় রেখে ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে। ফলে তারুণ্য ধরে রাখতে এটা ব্যবহার করা যেতে পারে। তাছাড়া এই তেল মাথায় মালিশ করলে চুল মজবুত হয়, আগা ফাটার সমস্যাও কমে।

 

print
 
nilsagor ad

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad