সাতক্ষীরায় কবুতর পালনে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বেকার যুবকরা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৭ | ৯ ভাদ্র ১৪২৪

সাতক্ষীরায় কবুতর পালনে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বেকার যুবকরা

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০১৬

print
সাতক্ষীরায় কবুতর পালনে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বেকার যুবকরা
সাতক্ষীরা জেলায় কবুতর পালনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে বেকার যুবকরা। স্বল্প পুঁজি ও সামান্য শ্রমে বেশি মুনাফা হওয়ায় বাড়ির আঙিনায় ইতোমধ্যে জেলায় পাঁচ শতাধিক ছোট-বড় খামার গড়ে উঠেছে। 

সাতক্ষীরা জেলায় কবুতর পালনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে বেকার যুবকরা। স্বল্প পুঁজি ও সামান্য শ্রমে বেশি মুনাফা হওয়ায় বাড়ির আঙিনায় ইতোমধ্যে জেলায় পাঁচ শতাধিক ছোট-বড় খামার গড়ে উঠেছে।

বার মাসে তের জোড়া কবুতর পাওয়া যায়।  আর কবুতর পালনে ধান গম ও ভুট্টার গুড়া কবুতরের প্রধান খাদ্য হওয়ায় খাবার নিয়ে চিন্তা করতে হয় না খামার মালিকদের। তবে বছরে শীতের সময় এদের রোগ বেশি দেখা দেয়। তাই শীত আসার আগে রানীক্ষেত ভেকসিন বা প্রিজাম কস্ক ভ্যাকসিন দেওয়ার পরামর্শ দেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। 

কবুতর খামারিরা জানান, বাড়ির আঙিনায় কাঠ দিয়ে ঘর তৈরি করে ও বিল্ডিংয়ের ছাদের ওপর খাঁচা অথবা তৈরি ঘরে কবুতর পালন করা যায়। ৫০ দিন পর সাধারণত কবুতর ডিম দেয়। এক জোড়া কবুতর ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়।  কবুতরের ডিম ও মাংস আমিষের অভারসহ নানা রোগের প্রতিকার করে।

সাতক্ষীরার বিভিন্ন অঞ্চলে এখন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে  কবুতর পালন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে শ্যামনগর, কালিগঞ্জ, আশাশুনি উপজেলার কাপসন্ডা, ফকরাবাদসহ বিভিন্ন স্থানে কবুতর পালনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে বেকার যুবকরা। রেডকিং, হোইটকিং, ইয়োলোকিং নোটন, গিরিবাজ র‍্যাংসহ বিশ প্রজাতির কবুতর পালন করা হয়।

জেলার আশাশুনি উপজেলার কামসন্ডা গ্রামের শরিফুল সিলাম বলেন, ‘বাড়ির অন্যান্য কাজের পাশাপাশি  বাড়তি মুনাফা আর শখ মেটাতে কবুতর পালন করছি। এখানে অল্প টাকা পুঁজিতে অধিক টাকা লাভ হয়। কবুতর মাসে দুইবার ডিম বা বাচ্চা দেয়।  তবে ঠিকমত কবুতর বিক্রি ও ঔষধ খেতে দেওয়ার নিয়ম না জানায় নানা সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়।’ তাই  কবুতর পালনের উপর প্রশিক্ষণের দাবি জানান তিনি।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মুনজিতপুর গ্রামের দেবাশীষ বাছাড় জানান, তিনি পাঁচ বছর যাবৎ কবুতর পালন করছেন। প্রথমে শখের বশে শুরু করেন। এখন ব্যবসায়ী হিসেবে পালন করছেন। তার বাড়িতে সাত থেকে আট জাতের কবুতর রয়েছে।

তিনি বলেন, যদি সঠিকভাবে কবুতর পালন করা যায় তাহলে বছর শেষে অনেক মুনাফা অর্জন করা যায়।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা শিশির কুমার বিশ্বাস বলেন, সাতক্ষীরা জেলাতে কবুতর পালনে মানুষের আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে। কবুতর পালনে এখন প্রশিক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। তবে প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

ইকে/আরআর

 

 

print
 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

nilsagor ad

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad