ভারতসুন্দরী হলেন বাঙালি প্রিয়দর্শিনী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৭ | ৯ ভাদ্র ১৪২৪

ভারতসুন্দরী হলেন বাঙালি প্রিয়দর্শিনী

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০১৬

print
ভারতসুন্দরী হলেন বাঙালি প্রিয়দর্শিনী
শুধু টালিউড নয়, বলিউডও মাতাচ্ছেন কলকাতার গুণী সব অভিনেতা-অভিনেত্রী। সুস্মিতা সেন বিশ্বসুন্দরী হয়েছিলেন। ভারতসুন্দরীর খেতাবও জুটেছিল তার মাথায়। বলিউডে তার জনপ্রিয়তা এখনো টলেনি। 

শুধু টালিউড নয়, বলিউডও মাতাচ্ছেন কলকাতার গুণী সব অভিনেতা-অভিনেত্রী। সুস্মিতা সেন বিশ্বসুন্দরী হয়েছিলেন। ভারতসুন্দরীর খেতাবও জুটেছিল তার মাথায়। বলিউডে তার জনপ্রিয়তা এখনো টলেনি।

এক সময়ের বলিউডের হার্টথ্রব নায়িকা তনুশ্রী দত্তও পেয়েছিলেন ভারতসুন্দরীর মুকুট। সে সূত্র ধরেই একের পর এক আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এবার বাঙালি প্রিয়দর্শিনী চট্টোপাধ্যায় পেলেন ভারতসুন্দরীর মুকুট। তারও স্বপ্ন একদিন তিনি বলিউড মাতাবেন।

১৯৯৬ সালে গুয়াহাটিতে জন্ম নেওয়া প্রিয়দর্শিনী সেখানকার মারিয়া পাবলিক স্কুলে উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ শেষ করে দিল্লির হিন্দু কলেজে সমাজবিদ্যা নিয়ে ভর্তি হন। কলেজে সহপাঠী ও শিক্ষকদের প্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। তবে তার স্বপ্ন ছিল একটাই- সুস্মিতা সেনের মতো একদিন ভারতের সেরা সুন্দরীর মুকুট জিতে নেওয়া। আর বলিউডে অভিনয় করা।

সেই স্বপ্নের অর্ধেকটা পূরণ হল শনিবার রাতে। প্রিয়দর্শিনী ভারতসুন্দরীর মুকুট জেতার সঙ্গে উপরি পেয়েছেন শাহরুখের আলিঙ্গন আর বলিউড বাদশাহর আমন্ত্রণ- ‘ওয়েলকাম টু বলিউড!’

শাহরুখ খানের সঙ্গে প্রিয়দর্শিনী (ছবিতে ডানে) ও প্রথম রানারআপ

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ‘মিস দিল্লি’ খেতাব জেতার পরে মুম্বাইয়ের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন প্রিয়দর্শিনী। শনিবার রাতে যশরাজ স্টুডিওতে ভারতের ১০ জন সেরা সুন্দরীর সঙ্গে টক্কর দেওয়ার পর প্রিয়দর্শিনীই জিতে নেন সেরা সুন্দরীর খেতাব।

ভারতসুন্দরী জয়ের পর প্রিয়দর্শিনীর বাড়িতে চলছে উৎসবের আমেজ। মা পাপিয়া চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘জানতাম মেয়ের আত্মবিশ্বাস আর অভিজ্ঞতা বিফল হবে না। ও এটার যোগ্যতম দাবিদার ছিল। অন্য প্রতিযোগীদের পরিবারও তাকে আশীর্বাদ করে গিয়েছে।’

উচ্ছ্বসিত প্রিয়দর্শিনী বলেন, ‘আমার পরিবার, বন্ধু, শুভানুধ্যায়ীদের আশীর্বাদ ও ভালবাসা ছাড়া এই জয় সম্ভব ছিল না। একটা স্বপ্নপূরণ হয়েছে। এবার বিশ্বের দরবারে ভারতের সম্মান রাখতে চাই। বিশ্বের সব দেশ ঘুরে দেখার যে ইচ্ছেটা মনে পুষছিলাম, তার কিছুটা আশা করি মিটবে।’

কলকাতার ধুবরির বাসিন্দা প্রিয়দর্শিনীর বাবা প্রবীর চট্টোপাধ্যায় কর্মসূত্রে থাকতেন আসামের গুয়াহাটিতে। সেখানেই দুই মেয়ে- প্রিয়াঙ্কা ও প্রিয়দর্শিনীর জন্ম। প্রিয়াঙ্কা কর্মসূত্রে সিঙ্গাপুরে। অবসর নেওয়ার পর ধুবরির বাড়িতেই থাকেন প্রবীর।

এক সময়ের ফুটবল খেলোয়াড় বাবা প্রবীর চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমার জ্যাঠা (চাচা) ছিলেন অভিনেতা অনিল চট্টোপাধ্যায়। তাই অভিনয় ওর রক্তে। কিন্তু আমি বার বার বলেছি, যাই কর- লেখাপড়ায় ফাঁকি দেওয়া চলবে না। ও সেই দিকটা বজায় রেখেই চালিয়ে গিয়েছে মডেলিং।’ খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনন্দবাজারের।

কেকে/এইচএসএম

 

 

print
 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

nilsagor ad

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad