দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৫ কোটি ৬০ লাখ

ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭ | ১৩ শ্রাবণ ১৪২৪

দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৫ কোটি ৬০ লাখ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০১৬

print
দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৫ কোটি ৬০ লাখ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৫ কোটি ৬০ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। মাত্র সাত বছরের ব্যবধানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখ থেকে পাঁচ কোটি ৬০ লাখে পৌঁছেছে। এটি শুধু সিম কোম্পানিগুলোর অবদান নয়। এর পেছনে জননেত্রী শেখ হাসিনার বড় অবদান রয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৫ কোটি ৬০ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। মাত্র সাত বছরের ব্যবধানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখ থেকে পাঁচ কোটি ৬০ লাখে পৌঁছেছে। এটি শুধু সিম কোম্পানিগুলোর অবদান নয়। এর পেছনে জননেত্রী শেখ হাসিনার বড় অবদান রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ব্যবসায় অনুষদ মিলনায়তনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসিট) প্রকল্প আয়োজিত ‘দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ’ শীর্ষক সেমিনার ও ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্ঠানে রোববার সকাল ১১টায় তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যেখানে ২০০৮ সালে এক এমবিপিএস ব্যন্ডউইথের দাম ছিল ৭৮ হাজার টাকা সেখানে জননেত্রী শেখ হাসিনা ছয় দফায় দাম কমিয়ে প্রতি এমবিপিএস ব্যান্ডউইথের দাম নিয়ে এসেছে ৬২৫ টাকায়। যার ফলে বাংলাদেশের জনগণ খুব সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছে।

পলক বলেন, আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালে আইসিটি রপ্তানি ৫ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া। আর এতে প্রধান ভূমিকা রাখবে আইটিতে প্রশিক্ষিত দক্ষ মানবসম্পদ। এ সেক্টরে ২০ লাখ তরুণ তরুণীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। বাংলাদেশকে সারাবিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে চাই তরুণদের নেতৃত্বে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত কানেকটিভিটি পৌঁছে দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন বছরে আইটি পেশাজীবীর সংখ্যা বর্তমান আড়াই লাখ থেকে ১০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার বেসরকারি খাতের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

জুনায়েদ আহমেদ পলক তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে পড়াশোনারত অবস্থায় আইটিতে উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে সরকার। এ প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি নিজেদের আইটিতে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পথ সুগম করবে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের অভিযাত্রাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে আইটিতে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিকে ডিজিটালাইজড করার ঘোষণা দেন।

এলআইসিটি প্রকল্পের আইটি/আইটিইএস টম লিডার সামি আহমেদ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সরকারের গৃহীত নানা উদ্যোগ, এলআইসিটি প্রকল্পের আওতায় বিশ্বমানের প্রশিক্ষণে ৪৫ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং ন্যাশনাল এন্টারপ্রাইজ আর্কিটেকচার (এনইএ) সস্পর্কে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে সরকার বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করেছে। অনেকেই জানেন না যে আমাদের দেশে টাইটানিয়াম, স্মাক ল্যাবের মতো বিশেষায়িত ল্যাব রয়েছে। যেখানে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আখতার, এক্সিম ব্যাংকের রিজিওনাল ম্যানেজার মাঈনুদ্দিন।

আইএইচ/আরআর/একে

 

print
 

আলোচিত সংবাদ