যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইয়েমেনের দু’পক্ষ

ঢাকা, রবিবার, ২৫ জুন ২০১৭ | ১০ আষাঢ় ১৪২৪

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইয়েমেনের দু’পক্ষ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৯:২১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০১৬

print
যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইয়েমেনের দু’পক্ষ
জাতিসংঘের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি মেনে চলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে ইয়েমেনে সংঘাতে লিপ্ত দেশটির সরকারি ও বিদ্রোহী বাহিনী। খবর বিবিসির। সৌদি নেতৃত্বাধীন ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী রোববার জানিয়েছে, সোমবার থেকে কার্যকর হতে যাওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতি তারা সম্মান দেখাবে। আর সরকার পতনে যুদ্ধরত ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরাও যুদ্ধবিরতি মেনে চলার কথা জানিয়েছে।

জাতিসংঘের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি মেনে চলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে ইয়েমেনে সংঘাতে লিপ্ত দেশটির সরকারি ও বিদ্রোহী বাহিনী। খবর বিবিসির। সৌদি নেতৃত্বাধীন ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী রোববার জানিয়েছে, সোমবার থেকে কার্যকর হতে যাওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতি তারা সম্মান দেখাবে। আর সরকার পতনে যুদ্ধরত ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরাও যুদ্ধবিরতি মেনে চলার কথা জানিয়েছে।

ইয়েমেনে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা শিয়া ও সুন্নিদের ক্ষমতার লড়াইয়ে অন্তত ৬ হাজার মানুষ নিহত ও ২০ লাখ লোক বাস্তুহারা হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর স্থায়ীভাবে সংঘাত বন্ধে চলতি মাসের শেষের দিকে কুয়েতে আলোচনায় বসবে দুই পক্ষ।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইয়েমেনের বিশেষ দূত ইসমাইল শেখ আহমেদ যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটা জরুরি ও অতি প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, ‘ইয়েমেনে আরো রক্তপাত ঘটুক এটা আমরা কখনোই সমর্থন করি না।’

জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের (ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মানসুর হাদী) চাওয়াতেই তারাও যুদ্ধবিরতির প্রতি সম্মান দেখাবে। তবে বিদ্রোহীদের হামলার জবাব দেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে বলেও সতর্ক করেন।

যুদ্ধবিরতি মেনে চলার কথা উল্লেখ করে হুতি বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের বাহিনীর ওপর কোনো হামলা হলে বিদ্রোহীরা এর শক্ত জবাব দেবে।

এদিকে সোমবার থেকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে সংঘর্ষে ২০ জন নিহত হয়েছে। তবে ওই সংঘর্ষের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।  

ইয়েমেনে যুদ্ধ থামাতে জাতিসংঘ গত ডিসেম্বরে শান্তি আলোচনার আয়োজন করে। কিন্তু তা ভেস্তে যায়।

এদিকে শনিবার প্রেসিডেন্ট হাদী বলেছেন, কুয়েতে শুরু হতে যাওয়া আলোচনাকে তারা বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। তিনি আশা করেন, ওই আলোচনার পর হুতি বাহিনী জাতিসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রস্তাব মেনে নিয়ে নিজেদের সেনা প্রত্যাহার করবে।

ইরান সরকার ও ইয়েমেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল্লাহ সালেহি অনুগত বাহিনীর সমর্থনে ২০১৪ সালে দেশটির রাজধানী সানাসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু শহর দখলে নেয় হুতি বাহিনী। প্রেসিডেন্ট হাদী রাজধানীতে অবস্থিত প্রাসাদ ছেড়ে বন্দরনগরী এডেনে আশ্রয় নেন। এখন সৌদি আরবে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন তিনি।

শিয়াপন্থী হুতিদের প্রতিহত করতে ও সুন্নিপন্থী হাদীর সরকারকে টিকিয়ে রাখতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট গত বছর বিমান হামলা শুরু করে।   

কেকে/এইচএসএম

 

print
 

আলোচিত সংবাদ