সিইসির কাছে মশালের আইনী সুরক্ষা চাইলেন ইনু

ঢাকা, রবিবার, ২৫ জুন ২০১৭ | ১০ আষাঢ় ১৪২৪

সিইসির কাছে মশালের আইনী সুরক্ষা চাইলেন ইনু

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০১৬

print
সিইসির কাছে মশালের আইনী সুরক্ষা চাইলেন ইনু
প্রধান নির্বাচন কমিশনার  (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কাছে ‘মশাল’ প্রতিকের আইনী সুরক্ষা চাইলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের একাংশের সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার  (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কাছে ‘মশাল’ প্রতিকের আইনী সুরক্ষা চাইলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের একাংশের সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

রোববার সিইসির কাছে পাঠানো চিঠিতে মশাল প্রতীকের বেআইনীভাবে অপব্যবহার রোধে আইনী সুরক্ষা চেয়ে আবেদন করেন তিনি।

ইনু স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, নিবন্ধিত দল হিসাবে জাসদ নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের কাছে দলের নাম, নিবন্ধন নম্বর, প্রতীক ‘মশাল’ সংরক্ষণসহ যাবতীয় আইনী প্রাপ্য অধিকার বিষয়ে আইনী সুরক্ষা পাবার দাবিদার। চিঠিতে দলের কাউন্সিলের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, নিবন্ধিত দল হিসাবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ দলের গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী গত ১২/০৩/২০১৬ ইং তারিখে জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠান করে। এ কাউন্সিলে জনাব হাসানুল হক ইনু সভাপতি এবং জনাব শিরীন আখতার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এ কাউন্সিলের প্রতিবেদন যথারীতি নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ এর নিকট দাখিল করা হয়েছে। চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, আমরা গভীর ক্ষোভ ও দু:খের সাথে লক্ষ্য করছি, এ কাউন্সিলের পর জনাব শরীফ নুরুল আম্বিয়া, জনাব নাজমুল হক প্রধান, মইনুদ্দিন খান বাদলসহ কতিপয় সদস্য দল ত্যাগ করে একই নামে পৃথক দল গঠণের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে জাসদের নাম, নিবন্ধন, প্রতীক ‘মশাল’ বেআইনীভাবে অপব্যবহার করার অপতৎপরতা চালাচ্ছেন।

সর্বশেষ চিঠিতে জাসদের নাম, নিবন্ধন, প্রতীক ‘মশাল’  বেআইনীভাবে অপব্যবহার রোধে আইনী সুরক্ষার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে গত বুধবার ইসিতে দু’পক্ষের শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, আমরা দু’পক্ষের বক্তব্য শুনেছি। সবার কাগজপত্র পেয়েছি। সবকিছু দেখে পরবর্তীতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, তৃতীয় ধাপের অনুষ্ঠিতব্য ৬২১টি ইউপির মধ্যে জাসদের চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছে ৩৬জন। এরমধ্যে ইনু-শিরীন অংশের ২৭জন। আম্বিয়া-প্রধান অংশের ৯জন। এরমধ্যে একই ইউনিয়নে উভয় অংশের কোনো প্রার্থী নেই। সবাই আলাদা আলাদা ইউনিয়নে। তাই উভয় অংশকেই মশাল প্রতীকে নির্বাচন করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এতে খুব বেশি ঝামেলা হবে না বলেই মনে করে নির্বাচন কমিশন। তবে চতুর্থ ধাপের আগেই প্রতীকের বিষয়ে সমাধানে না পৌঁছালে বিষয়টি জটিল হয়ে যাবে বলে মনে করেন ইসি কর্মকর্তারা। ইসির শুনানি শেষে সাংবাদিকদেরকে দু’পক্ষই মশাল প্রতীক পাওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু করে ইসি। বর্তমানে ৪০টি দল ইসির নিবন্ধনে রয়েছে।

এইচকে/

 

print
 

আলোচিত সংবাদ