জ্বালানি তেলের রেকর্ড দর পতন
Back to Top

ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২০ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

জ্বালানি তেলের রেকর্ড দর পতন

পরিবর্তন ডেস্ক ২:৩৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২১, ২০২০

জ্বালানি তেলের রেকর্ড দর পতন
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে অপরিশোধিত তেলেরে বাজারও মন্দা অবস্থায় পৌঁছেছে। ভাইরাসটির ফলে গত দুই দশকের মধ্যে মার্কিনী তেলের দাম সর্বনিম্ন স্থানে রয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) মার্কিন শেয়ারবাজারে অপরিশোধিত তেল কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম কমেছে ২০ শতাংশ। যার ফলে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ১৫ ডলারেরও নিচে। যা ১৯৯৯ সালের পর সর্বনিম্ন। আর করোনায় চাহিদা কমে যাওয়ায় দরপতন অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার এই পরিস্থিতির মধ্যে যখন বাজার শেষ হল, তখন ফিউচার মার্কেটে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের শীর্ষ ব্র্যান্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের প্রতি ব্যারেলের দাম ছিল মাইনাস ৩৭.৬৩ ডলার। খবর সিএনএনের

ডাও জনন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল ৫৯২ পয়েন্ট নিচে নেমেছে - এটি হচ্ছে শতকরা ২ ভাগ হ্রাস। এস এন্ড পি ফাইভ হান্ড্রেডও, শতকরা ২ ভাগ নিচে নেমেছে এবং নাসডাক ১% হ্রাস পেয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে লকডাউনের মধ্যে বিশ্বের বহু দেশের মানুষ এখন ঘরবন্দি থাকায় রাস্তাঘাট সব ফাঁকা, উড়োজাহাজগুলো বসে আছে, কারখানাগুলোও অন্ধকার। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা গত তিন মাস ধরে ক্রমাগত হারে কমছিল।

কিন্তু উৎপাদন বন্ধ না থাকায় বিক্রি না হওয়া কোটি কোটি ব্যারেল তেল গুদামজাত করার জায়গাও ফুরিয়ে আসছিল দ্রুত।

আশঙ্কা করা হচ্ছিল, মে মাসের আগেই গুদাম, শোধনাগার, টার্মিনাল, জাহাজ, পাইপলাইন- সবগুলোর ধারণক্ষমতা পূর্ণ হয়ে যাবে। আর এই আতঙ্কই যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদিত তেলের দাম শূন্যের নিচে নিয়ে গেছে।

এদিকে বিশ্ব তেল বাজারের এরকম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত সপ্তাহে আলোচনা শুরু হয় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে। গত ১৩ এপ্রিল নানা আলোচনা জল্পনার পর ওপেক প্লাস ও তেল উৎপাদক মিত্রদেশগুলো উৎপাদন কমানোর ঐতিহাসিক সমঝোতায় পৌঁছায়।

দৈনিক ৯৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমানোর ব্যাপারে একমত হয়েছে শীর্ষ তেল উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের এই জোট, যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের ১০ শতাংশ।

ওএস/জেডএস

 

: আরও পড়ুন

আরও