ট্রাম্পকে অভিশংসন থেকে অব্যাহতি
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০ | ২২ চৈত্র ১৪২৬

ট্রাম্পকে অভিশংসন থেকে অব্যাহতি

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:০০ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২০

ট্রাম্পকে অভিশংসন থেকে অব্যাহতি

অভিশংসন বিচার প্রক্রিয়া থেকে মুক্তি পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ এখন তাকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে যেতে হবে না।

বুধবার ঐতিহাসিক এক ভোটাভুটির মাধ্যমে সিনেট দেশটির ৪৫তম প্রেসিডেন্টকে না সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে এই মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়, রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেটে ওই বিচার প্রক্রিয়ায় ট্রাম্পকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া না দেয়ার বিষয়ে ভোট দেন সিনেটররা। ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার পদচ্যুতির বিষয়ে ৫২-৪৮ ভোটে জিতেছেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে, কংগ্রেসের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে প্রেসিডেন্টের পদ হারানোর সম্ভাবনা খারিজ হয়েছে ৫৩-৪৭ ভোটে। কোনো কারণে ট্রাম্প ভোটে হেরে গেলে তাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হতো।

এর আগে ডিসেম্বরে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নভেম্বরের নির্বাচনে ট্রাম্প হবেন প্রথম প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যিনি অভিশংসিত হয়েছেন।

তবে ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন। তার নির্বাচনি প্রচারণা দল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ট্রাম্প পুরোপুরি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন এবং এখন আমেরিকার জনগণের নিজ কাজে মন দেয়ার সময় হয়েছে। অকর্মণ্য ডেমোক্র্যাটরা জানে তারা ট্রাম্পকে হারাতে পারবে না, সেজন্য তারা তাকে ইমপিচ করেছিল।

এদিকে এ সপ্তাহে অ্যামেরিকান ভোটারদের মধ্যে মি. ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ৪৯ শতাংশে উঠেছে, যা এ যাবতকালে তার জনপ্রিয়তার হারে সর্বোচ্চ। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে।

ইমপিচমেন্ট ভোট যেমন হলো

উটাহর সেনেটর মিট রমনি ছিলেন একমাত্র রিপাবলিকান যিনি দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ট্রাম্পের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

তবে ডেমোক্র্যাটদের নিরাশ করেছেন অন্য দুইজন মধ্যপন্থী রিপাবলিকান সিনেটর- মেইনের সুসান কলিনস এবং আলাস্কার লিসা মারকাওস্কি। প্রতিশ্রুতি দিয়েও তারা নিজের পক্ষ ত্যাগ করেননি।

কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের আচরণের সমালোচনা করলেও, তাদের বক্তব্য হচ্ছে সেটা ইমপিচ করার পর্যায়ে যায়নি।

প্রেসিডেন্টকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য সিনেটের ১০০ আসনের মধ্য থেকে দুই তৃতীয়াংশ ভোট পড়ার দরকার হতো।

এইচআর

 

আন্তর্জাতিক: আরও পড়ুন

আরও