ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

ঢাকা, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪

ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:৩৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮

print
ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শান্তি স্থাপন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি ইসরাইলি গণমাধ্যম ইসরাইল হেইয়ুমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ সংশয় প্রকাশ করেন। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সমর্থক ওই পত্রিকাটি গতকাল রোববার ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করেছে।

ইসরাইল যে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী সে ব্যাপারে তিনি শতভাগ নিশ্চিত নন উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, এই মুহূর্তে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো। তাই এ সময় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শান্তি স্থাপনও তাদের জন্য উত্তম হবে।

ডানপন্থী ওই পত্রিকাটিকে ট্রাম্প বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি বলব, ফিলিস্তিনিরা শান্তি প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী নয়, তারা শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় নিয়ে কাজ করছে না। তাছাড়া আমি এ ব্যাপারেও শতভাগ নিশ্চিত নই যে, ইসরাইল শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় নিয়ে ভাবছে। সুতরাং কী ঘটে তার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’

অন্যদিকে, ইসরাইলের বসতি স্থাপন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও ট্রাম্প প্রশাসনে ইসরাইলের বসতি স্থাপন নিয়ে কোনো সমালোচনা নেই, যেটা ছিল ট্রাম্পের পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রশাসনে। বরং তেলআবিবে নিযুক্ত বর্তমান মার্কিন দূত ডেভিড ফ্রিডম্যান ইসরাইলের অবৈধ বসতি স্থাপনের ঘোর সমর্থক।

ট্রাম্প বলেন, ‘এই বসতি স্থাপন শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলছে। তাই আমি মনে করি, বসতি স্থাপনের ব্যাপারে ইসরাইলের সতর্ক হওয়া উচিত।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা কোনো আলোচনার দিকে যাচ্ছি কিনা আমি জানি না। কী ঘটে তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু আমি মনে করি, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিরা যদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছতে না পারে সেটা তাদের দুই পক্ষের জন্যই হবে বোকামি।’

‘শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এটাই একমাত্র সুযোগ, এটি আর কখনও আসবে না’, উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

উল্লেখ্য, গত বছর এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং তেলআবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন। তখনই ফিলিস্তিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ব্যাপক ফাঁটল ধরে।

ফিলিস্তিনি নেতারা বলছেন, ট্রাম্পের ওই স্বীকৃতি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়। কারণ ফিলিস্তিনিরাও বলে আসছে, তাদের ভবিষ্যত রাষ্ট্রের রাজধানী হবে জেরুজালেম।

ফিলিস্তিনিদের চাপে ফেলতে ইতোমধ্যে সেখানকার শরণার্থীদের দেওয়া মার্কিন সাহায্য বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

আরপি

 
.

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad