কৃষি কাজে লাইসেন্স ছাড়া নলকূপ স্থাপনের শাস্তি বাড়ছে

ঢাকা, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

কৃষি কাজে লাইসেন্স ছাড়া নলকূপ স্থাপনের শাস্তি বাড়ছে

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:২৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৭

print
কৃষি কাজে লাইসেন্স ছাড়া নলকূপ স্থাপনের শাস্তি বাড়ছে

লাইসেন্স ছাড়া কৃষি কাজের জন্য নলকূপ স্থাপনে শাস্তি বাড়িয়ে ‘কৃষি কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১৭’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

.

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ অনুমোদনের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘আগে ছিল দি গ্রাউন্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট অর্ডিন্যান্স-১৯৮৫। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে এটাকে আইনে রূপান্তরের নির্দেশনা আছে। সেজন্য এটাকে নতুন করে আইনে পরিণত করা হচ্ছে। প্রথমত এটিকে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে।’

নতুন আইনে উপজেলা পরিষদের ক্ষমতায়ন করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘খসড়া আইন অনুযায়ী উপজেলা সেচ কমিটি নামে একটি কমিটি করা হবে, সেটা উপজেলা পরিষদের নির্দেশনায় পরিচালিত হবে। এখানে লাইসেন্সের একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ভূ-গর্ভস্থ পানি কৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স লাগবে। লাইসেন্স দেবে উপজেলা সেচ কমিটি।’

তিনি বলেন, ‘কমিটি লাইসেন্স দেওয়ার আগে সরেজমিনে পরিদর্শন করবে। কোনো জায়গায় নলকূল স্থাপনের প্রয়োজন আছে কিনা সেটা দেখবে। নিকটবর্তী নলকূপের দূরত্ব কতটুকু তা দেখবে।’

‘কারণ আমরা যদি ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার করতে থাকি তাহলে পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্ভাবনা আছে। সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এ আইনে বিধান রাখা হয়েছে’ যোগ করেন শফিউল আলম।

বিদ্যমান নলকূপগুলোকে সময় দিয়ে লাইসেন্স নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগের আইনেও নলকূপ স্থাপনে লাইসেন্স নেওয়ার বিধান রয়েছে।’

প্রস্তাবিত আইনে লাইসেন্স ছাড়া নলকূপ স্থাপনে দণ্ডের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আগে জরিমানা ছিল সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা। নতুন আইনে তা বেড়ে হচ্ছে ১০ হাজার টাকা বা অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। আগের আইনে জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের বিষয়টিও ছিল না।’

উপজেলা পরিষদ নলকূপের লাইসেন্স সাসপেন্ড বা বাতিল করতে পারবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি কোনো লাইসেন্স এক বছরের মধ্যে তিনবার স্থগিত হয়, তবে উপজেলা পরিষদ শুনানি দিয়ে তা বাতিল করে দিতে পারবে।’

শফিউল আলম আরো বলেন, ‘সেচ কমিটির গঠন বিধির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। তবে এটা এখনো করা হয়নি। বিধির মাধ্যমে কমিটির কাজও নির্ধারিত হবে। লাইসেন্সের জন্য ফি নির্ধারণ করা হবে।’

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত এ খসড়া আইনটি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা।

এএসটি/এমএসআই

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad