বর্জ্য নির্গমনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে জিরো টলারেন্স : বনমন্ত্রী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৭ | ৯ ভাদ্র ১৪২৪

বর্জ্য নির্গমনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে জিরো টলারেন্স : বনমন্ত্রী

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৩:৪১ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৭

print
বর্জ্য নির্গমনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে জিরো টলারেন্স : বনমন্ত্রী

শিল্পবর্জ্য থেকে দূষণ হ্রাসের লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে তরল বর্জ্য নির্গমনকারী সব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ‘জিরো টলারেন্স’ পলিসি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। জাতীয় সংসদে সোমবার জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফরিদুল হক খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্প দূষণ থেকে সৃষ্ট পানি যাতে দূষিত না হয় তার জন্য কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপনপূর্বক ১০টি ইকোনোমিক জোন স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’

‘এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ২৮৯১টি প্রতিষ্ঠান থেকে পরিবেশ দূষণের জন্য ২৩৪ কোটি ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য এবং তার মধ্যে ১৪৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ১৫৫৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপিত হয়েছে’, যোগ করেন বনমন্ত্রী।

তিনি আরো জানান, ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদীকে পরিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে এ ব্যবস্থাপণার জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।’

আনোয়ার হোসেন আরো বলেন, ‘পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে দ্রুত ও  জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে নিয়মিত মামলা ও এনপোর্সমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জলাভূমি ভরাট করার জন্য চলতি বছরের এপিল মাস পর্যন্ত ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে।’

এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড থেকে সারাদেশে বনায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৪৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান বনমন্ত্রী।

এইচকে/এনডিএস

print
 
nilsagor ad

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad