পাটের বহুবিধ ব্যবহারে ইনস্টিটিউট হচ্ছে 

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০১৭ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৪

পাটের বহুবিধ ব্যবহারে ইনস্টিটিউট হচ্ছে 

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:২৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২০, ২০১৭

print
পাটের বহুবিধ ব্যবহারে ইনস্টিটিউট হচ্ছে 

পাট ও পাট জাতীয় ফসলের উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবনসহ পাটের বহুমুখী ব্যবহারের লক্ষ্যে প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে গবেষণার জন্য পৃথক একটি ইনস্টিটিউট হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সংসদের উত্থাপিত একটি বিলও চূড়ান্ত করেছে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয়  স্থায়ী কমিটি।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিউট বিলের রিপোর্ট চূড়ান্ত করে। আগামী ২ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের ১৪তম  অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৯৭৪ সালের ‘বাংলাদেশ জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট’ বাতিল করে নতুন আইন করতে ‘বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল-২০১৭’ গত ৮ মার্চ সংসদে উত্থাপন করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

পরিবেশ সুরক্ষায় বিশ্বজুড়ে পাটজাত পণ্য ব্যবহারের গুরুত্ব বাড়ার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। ১৯৭৪ সালের আইনটি পরিমার্জন করে বাংলায় নতুন আইন করতে গত বছরের জুলাই মাসে বিলটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায়।

প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, ইনস্টিটিউট পাট ও সমশ্রেণির আঁশ ফসলের কৃষি, কারিগরি ও অর্থনৈতিক গবেষণা নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন ও পরিচালনা এবং আঁশজাত ফসল উৎপাদন এবং গবেষণার ফলাফল সম্প্রসারণ করবে। সরকারের অনুমোদন নিয়ে ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে আঞ্চলিক কেন্দ্র ও উপকেন্দ্র স্থাপন করতে পারবে। ইনস্টিটিউট পাট ও সমশ্রেণির আঁশ ফসল, পাটজাত পণ্য ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে গবেষণার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাইলট প্রকল্পও করতে পারবে।

প্রস্তাবিত আইনে ইনস্টিটিউট পরিচালনার জন্য ১৭ সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড গঠনের কথা বলা হয়েছে। ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বোর্ডের চেয়ারম্যান হবে। মহাপরিচালককে নিয়োগ দেবে সরকার। বিলে আরও বলা হয়েছে, পাট সম্পর্কিত উদ্ভূত কোনো সমস্যা নিরসন বা পাটের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে কোনো প্রযুক্তি বা কৌশল উদ্ভাবনের জন্য ইনস্টিটিউট সরকারের অনুমোদন নিয়ে গবেষক বা প্রযুক্তিবিদ নিয়োগ করতে পারবে।

কমিটির সভাপতি মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, মো. আব্দুর রাজ্জাকু, মো. মামুনুর রশীদ কিরন, এ, কে, এম, রেজাউল করিম তানসেন, উম্মে কুলসুম স্মৃতি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।   

এইচকে/এমডি

print
 

আলোচিত সংবাদ