‘ইভিএম ওপেন রেখেছি, বিএনপি আসুক’

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৬

‘ইভিএম ওপেন রেখেছি, বিএনপি আসুক’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ২:৪৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৮, ২০২০

‘ইভিএম ওপেন রেখেছি, বিএনপি আসুক’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে কোনো ধরনের কারচুপির সুযোগ নেই দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর।

তিনি বলেছেন, ইভিএম মেশিন আমেরিকা, বৃটেনসহ কয়েকটা দেশের রাষ্ট্রদূতরা দেখে গেছেন। তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তারা (বিএনপি) তো আসে না। আমরা তো ওপেন রেখেছি।

মঙ্গলবার দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

সচিব বলেন, ইভিএম-এ জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। যদি কারো আঙুল না থাকে তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ওই ব্যক্তি  ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারার মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। এ ধরনের ঘটনায় মাত্র ১ শতাংশ ভোটারদের সনাক্ত করতে পারবেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা। ১ শতাংশের বেশির প্রয়োজন হলে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে। আরো বেশি লাগলে কমিশনের অনুমতি লাগবে। পরবর্তিতে চাইলে এই ইভিএমের তথ্য জানা যাবে। ভোটের তথ্য আমাদের কাছে ডিজিটালি সংরক্ষণ করা থাকে। মামলা করারও সুযোগ রয়েছে। কেউ ইচ্ছা করলে এ নিয়ে আদালতেও যেতে পারেন। কেউ মামলা করলে আমরা তথ্য দেখাতে পারব।

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে দুই প্রার্থীদের আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এখন সেসব সামাল দিতে না পেরে আচরণ বিধি সংশোধনের কথা বলছে কিনা–সাংবাদিকদের এই ধরনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি ২০০৯ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় করা হয়েছিল। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে কি করা হয়? তারা সাধারণ জনগণ ও রাজনীতিকদের সঙ্গে খুব একটা কথা বলে আচরণবিধিমালা করে না। তখন সংলাপ হলেও সেটা অনেকটা রেসট্রিকটেট (নিয়ন্ত্রণ) হয়। অনেকের ভিতর ভয়ভীতি থাকে। তারা আচরণ বিধিমালাসহ অনেক কিছু চাপিয়ে দেয়। ২০০৯ এবং এখনকার পরিস্থিতি তো এক নয়। এখন ডেমোক্রেটিক গর্ভমেন্ট, ডেমোক্রেটিক সিশোয়েশন, স্বাধীনভাবে মানুষ কথা বলতে পারে। এখন টক শো করছেন এত টেলিভিশন এত পত্রিকা তখন কি এগুলো পারতেন করতে? এত কিছু বলতে পারতেন?

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে সাংবাদিকেদের উপরও অনেক বাধা-নিষেধ ছিল। আপনারা কি সেই আচরণ বিধিমালা চান যে এখনও সেই আচরণ বিধিমালা থাকুক? আর সময়ের সাথে মানুষের সচেতনা বেড়েছে, গণতান্ত্রিক পরিবেশ পরিবর্তন হয়েছে। সেই সাথে আচরণ বিধিমালা আধুনিকায়ন করতে হবে। তার মানে এই নয় কাউকে অন্যায় কোনো সুবিধা দেয়া হবে।

সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে- বিএনপির এই অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকদের কোনো কার্ড দেয়ার ব্যাপারে কমিশন থেকে এখনও কোনো নির্দেশনা পাইনি। তবে যে নীতিমালা আছে সেই অনুযায়ী দিচ্ছি। যারা ইসিতে নিবন্ধিত তাদেরকেই কার্ড দেয়া হবে।

আসন্ন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন উপলক্ষে কেন্দ্রগুলোতে সিসি টিভির আওতায় আসবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত যেসব প্রতিষ্ঠানে আগে থেকেই সিসি ক্যামেরা আছে, সেগুলোকে সচল রাখার জন্য বলা হয়েছে। যাতে করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সেইসব ক্যামেরার মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করা যায়। তবে কেন্দ্রগুলোর বুথে কোনো ভাবেই যাতে কোনো সিসি ক্যামেরা না থাকে সেবিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে।

এইচকে/এসবি

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও