‘উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়াও নির্বাচনের আচরণবিধি লংঘন’

ঢাকা, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৬

‘উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়াও নির্বাচনের আচরণবিধি লংঘন’

সচিবালয় প্রতিবেদক ৩:০৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০২০

‘উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়াও নির্বাচনের আচরণবিধি লংঘন’

পুরান ঢাকার গোপীবাগে সংঘর্ষের ঘটনায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কে প্রথম হামলা শুরু করেছে সেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে। এটা সরকারের বিষয় না। তবে উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়াও এক প্রকার নির্বাচনের আচরণবিধি লংঘন।

সোমবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসিতেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই- নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনারের পদটি সাংবিধানিক পদ। যেমন হাইকোর্টের বিচারপতির পদ সাংবিধানিক পদ। হাইকোর্টের কোনো বিচারপতি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কখনো জনসম্মুখে উপস্থাপন করেন না।

কারণ, সেটি নিয়ম নয়। সাংবিধানিক পদে থেকে সেটি করা সমীচীনও নয়। এটি একান্তই অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং সাংবিধানিক পদে থেকে নিজেদের কর্মপরিবেশ নিয়ে নিজেদের ফোরামে কথা বলায় বাঞ্ছনীয়। সেটি জনসম্মুক্ষে বিশেষ করে গণমাধ্যমের সামনে বলা, সাংবিধানিক পদধারী হিসেবে তিনি যে শপথ নিয়েছেন সেই শপথের বরখেলাপ কিনা সে প্রশ্ন অনেকে রেখেছেন, বলেন ড. হাছান মাহমুদ।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর প্রচারণার কাভারেজ দেয়া হলেও বিএনপির প্রার্থীর কোনো প্রচার-প্রচারণার খবর আসে না কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে সরকারের মন্ত্রী বলেন, এসব সংস্থার সবগুলোই স্বাধীনভাবে কাজ করে। এগুলো মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয় না। মন্ত্রণালয় শুধু দেখভাল করে। সেখানে যদি তারা (বিএনপি) প্রচারণার বিষয়গুলো উপস্থাপন করে নিশ্চয়ই সেই সংস্থাগুলো এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে পারে।

এসএস/এএসটি

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও