চীনে করোনাভাইরাস আরো ছড়িয়েছে, ঢাকায় সতর্কতা
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০ | ২৫ চৈত্র ১৪২৬

চীনে করোনাভাইরাস আরো ছড়িয়েছে, ঢাকায় সতর্কতা

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২০

চীনে করোনাভাইরাস আরো ছড়িয়েছে, ঢাকায় সতর্কতা

চীনে করোনাভাইরাস নামে রহস্যময় এক নতুন ভাইরাস ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। গত দুইদিনে ১৩৯ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন। খবর: বিবিসি বাংলা।

গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম যে সংক্রমণের ঘটনা ঘটে, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তাকে করোনাভাইরাস বলে সনাক্ত করেছিল।

গত সপ্তাহেই সিঙ্গাপুর, হংকং, সান ফ্রান্সিসকো, লস এঞ্জেলস এবং নিউইয়র্কে চীন থেকে আগত ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা হচ্ছিল।

এবার বাংলাদেশেও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও স্ক্রিনিং শুরু করার কথা জানানো হলো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।

উহানের পর চীনের নতুন নতুন শহরেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে আছে বেইজিং এবং শেনঝেন শহরের বাসিন্দারাও।

এদিকে থাইল্যান্ড এবং জাপানের পর দক্ষিণ কোরিয়া সোমবার জানাচ্ছে সেখানেও এই একই ভাইরাসে সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।

এখন পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দুইশো ছাড়িয়ে গেছে। মারা গেছে অন্তত তিনজন।

বাংলাদেশে সতর্কতা

ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট বা আইইডিসিআর বলছে, তারা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে, কারণ চীন থেকে আসা সব বিমান এই বিমানবন্দর দিয়েই ওঠানামা করে।

এছাড়া অন্যান্য বন্দরেও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশে এখনো করোনাভাইরাসে কারো আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করে আইইডিসিআর পরিচালক ডা. সেবরিনা বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

বিমানবন্দরে স্থাপিত হেলথ ডেস্কে এসব কর্মীদের পাঠানো হচ্ছে। যেসব ফ্লাইট চীন থেকে আসছে সেসব ফ্লাইটের যাত্রীদের স্ক্যানিং করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘যারা শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা- জ্বর, কাশি,গলাব্যথা এসব নিয়ে আসছেন তাদের চেক করা হচ্ছে।’

আইইডিসিআর বলছে, কারো শরীরে এর কোন লক্ষণ দেখা গেলে তারা নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখবেন।

এছাড়া বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন, এয়ারলাইন্সগুলো এবং এভিয়েশনে কাজ করা সবাইকে সচেতনও করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

সংক্রমণ সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে?

আক্রান্ত রোগীদের কাছ থেকে ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করে তা গবেষণাগারে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

চীনের কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এই সংক্রমণ যে ভাইরাসের কারণে হচ্ছে সেটি আসলে এক ধরনের করোনাভাইরাস।

অনেক ধরনের করোনাভাইরাস রয়েছে, কিন্তু শুধু ছয় ধরনের ভাইরাস মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। নতুন ভাইরাসসহ এটি হবে সপ্তম।

একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে দেখা দেয় সাধারণ সর্দি, কিন্তু মারাত্মক ধরণের সংক্রমণ বা সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম বা সংক্ষেপে সার্স হচ্ছে এক ধরনের করোনাভাইরাস। যাতে ২০০২ সালে ৮০৯৮ জন আক্রান্ত হয়েছিল এবং এদের মধ্যে ৭৭৪ জন মারা গিয়েছিল।

এইচআর

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও