‘প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ নয়’

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৬

‘প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ নয়’

সচিবালয় প্রতিবেদক ১:১১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২০

‘প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ নয়’

প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর এর বিরুদ্ধে দেশের ৪৭ জন বিশিষ্টজনের বিবৃতি বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেখুন আমাদের দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। বাংলাদেশের ৪৭ জন বিশিষ্টজন যে বিবৃতি দিয়েছেন এটা বড় কোনো বিষয় নয়। বাংলাদেশের এই ৪৭ জন ছাড়াও আরও হাজার হাজার বিশিষ্টজন রয়েছে। তারা তাদের বিবৃতি দিতেই পারেন।

রোববার তথ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে মোহাম্মদপুর রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো অবহেলাজনিত মৃত্যু হওয়ার পর সেটা যদি লুকানোর অপচেষ্টা করা হয় বা একই সাথে পোস্টমর্টেম ছাড়া তা যদি দাফন করা হয়, এগুলো তো নিশ্চয়ই অপরাধ। প্রথমত অবহেলাজনিত মৃত্যু সেটি ইনভেস্টিকেশন পর্যায়ে আছে। এরপর সেটিকে লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের আয়োজক যারা ছিল, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। অভিযোগ সত্য মিথ্যা সেটি ভিন্ন বিষয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আছে আর যারা দায়ী তাদের যাতে সঠিক বিচার হয় সেজন্য আমি আশা করি এই ৪৭ জন বিশিষ্ট জন আরেকটা বিবৃতি দেবেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আর এটির সাথে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ, তাই আদালতে একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আদালত একটি স্বাধীন বিষয় তারা বিচারকার্য পরিচালনার জন্য এ ধরনের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে করেছেন। সেটি গণমাধ্যমে বলার জন্য তো এই মামলা হয়নি। আর অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে বলতে চাই, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধের ব্যাপারে চেষ্টা করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিবৃতি সেটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। ফিলিস্তিনে যেখানে পাখি শিকারের মতো মানুষ হত্যা করা হয়, তখন তারা কোনো বিবৃতি দেয় না। ফলে তাদের বিবৃতি নিয়ে প্রশ্ন আছে।

এসএস/এএসটি

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও