ঢাকা সিটির ভোট : এবার বনানী ও মতিঝিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়

ঢাকা, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০ | ১৬ মাঘ ১৪২৬

ঢাকা সিটির ভোট : এবার বনানী ও মতিঝিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:২৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯

ঢাকা সিটির ভোট : এবার বনানী ও মতিঝিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়

আসন্ন ঢাকা ঢাকা উত্তর  ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে বনানী কমিউনিটি সেন্টার ও মতিঝিল কমিউনিটি সেন্টারে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় স্থাপন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার ঢাকার সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ সচিব মো. আতিয়ার রহমান জানান, রিটার্নিং অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারের অফিস হিসেবে ব্যবহারের জন্য তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল চূড়ান্ত করা পর্যন্ত সময়ের জন্য এ স্থাপনা ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, প্রস্তুতিমূলক কাজ হিসাবে ঢাকা উত্তর সিটির নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের জন্য বনানী কমিউনিটি সেন্টার ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের জন্য মতিঝিল কমিউনিটি সেন্টার (বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টার)  ব্যবহারে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য ইসি সিদ্ধান্ত দিয়েছে। একই সঙ্গে  ইভিএমসহ নির্বাচনী মালামাল বিতরণ ও ভোটাগ্রহণের মালামাল গ্রহণের জন্য এসব স্থাপনার নির্বাচনের প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে।

আতিয়ার রহমান বলেন, তফসিল কখন হবে কমিশনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো এগিয়ে রাখছি। মঙ্গলবারের কমিশন সভার সঙ্গে ইসির এ নির্দেশনার কোনো সম্পর্ক নেই।

গতবার মহানগর নাট্যমঞ্চ ও ঢাকা জেলা নির্বাচনের আগারগাঁও কার্যালয় রিটার্নি কর্মকর্তার কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হয়েছিল। অর্ধ কোটি ভোটারের ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে অর্ধ লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রাথমিক তালিকা করার কাজে হাত দিয়েছে কমিশন।

গত সপ্তাহে প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের এই প্রাথমিক প্যানেল তৈরির জন্য মঙ্গলবার ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ঢাকার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের চিঠি পাঠিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়, বাছাই, প্রত্যাহার ও প্রচারণার পর্যাপ্ত সময় দিয়ে ভোটের জন্য সাধারণত ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় রেখে তারিখ নির্ধারণ সংক্রান্ত তফসিল ঘোষণা করা হয়।

সর্বশেষ ২০১৫ সালেও ৪০ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। এর আগে ঢাকায় ৪৪ দিন সময় দিয়েছিল।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, জানুয়ারির মধ্যে ভোট করতে হলে ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। সেক্ষেত্রে তফসিল নিয়ে আরেকটা কমিশন সভা হতে পারে। আর মার্চে ভোট করতে হলে ফেব্রুয়ারিতেই তফসিল হবে।

নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের দিক থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে, কমিশন সিদ্ধান্ত দিলেই যেন সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় চিঠিপত্র পাঠানো সম্ভব হয়।

এইচকে/এফএ

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও