অপরাধী যেই হোক, শাস্তি পেতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০ | ১২ মাঘ ১৪২৬

অপরাধী যেই হোক, শাস্তি পেতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:২২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯

অপরাধী যেই হোক, শাস্তি পেতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, মানবাধিকার ও নাগরিকদের দায়িত্ব সম্পর্কে দেশবাসীকে জানাতে হবে। কেননা অধিকার ও দায়িত্ব একে অপরের পরিপূরক।

প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার মানবাধিকার দিবস-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। খবর: বাসস

শেখ হাসিনা বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করতে সচেতনতামূলক প্রচারণা পরিচালনার প্রয়োজন রয়েছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) রাজধানীর একটি হোটেলে ইউএনডিপি’র সহায়তায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মানবাধিকার রক্ষায় আইনের শাসনকে খুবই প্রয়োজনীয় বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। অতএব অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে শাস্তি পেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার শ্রেণি ও পেশা নির্বিশেষে মানবাধিকার রক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, মানবাধিকার রক্ষার পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব অপরাধকে আমাদের দমন করতে হবে। কারণ এই অপরাধীরা সমাজকে ধ্বংস করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার রক্ষার পাশাপাশি সরকার তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

এ বছর মানবাধিকার দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘মানবাধিকার সুরক্ষায় তারুণ্যেও অভিযাত্রা’।

প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মানবাধিকার দিবস পালন করে আসছে। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।

আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এবং এনএইচআরসি’র চেয়ারম্যান নাসিমা বেগম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ এবং জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সিপ্পো অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে মানবাধিকার বিষয়ক ডকুমেন্টারি ভিডিও প্রদর্শনের পাশাপাশি দিবসের থিম সং বাজানো হয়।

এসবি

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও