সংসদীয় কমিটির আলোচনায় ৭ অডিট আপত্তি

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০ | ১৪ মাঘ ১৪২৬

সংসদীয় কমিটির আলোচনায় ৭ অডিট আপত্তি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৬:৩৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৯

সংসদীয় কমিটির আলোচনায় ৭ অডিট আপত্তি

বাণিজ্যিক অডিট অধিদপ্তরের প্রদান করা ৭টি অডিট আপত্তির উপর সংসদীয় কমিটিতে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেলের বার্ষিক অডিট রিপোর্ট ২০১৩-১৪-এর অডিট আপত্তির ভিত্তিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের ৭ অডিট আপত্তি আলোচনায় উঠে আসে।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের সরকারী হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৯তম বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

কমিটির সভাপতি মো. রুস্তম আলী ফরাজীর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়স্থ কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. আব্দুস শহীদ, জহিরুল হক ভূঞা মোহন, মনজুর হোসেন, আহসানুল ইসলাম (টিটু), মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, ওয়াসিকা আয়েশা খান ও মো. জাহিদুর রহমান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বলা হয়, সুদ মওকুফ মঞ্জুরী পত্রের শর্ত মোতাবেক ঋণ গ্রহীতা নির্ধারিত কিস্তির টাকা সময়মত পরিশোধ না করায় মোট অনাদায়ী ৮১ কোটি ৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা মন্দ ঋণে শ্রেণীকৃত, এলসির বিপরীতে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধের জন্য মঞ্জুরীকৃত ৪টি এলটিআর ঋণের টাকা মেয়াদোত্তীর্ণ অনাদায়ী এবং আর্থিক ক্ষতি ৯৮৭ কোটি ২৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা, মঞ্জুরীকৃত ২টি এলটিআর ঋণের অর্থ পরিশোধে অনীহার কারণে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনাদায়ী ১১ হাজার ২৪৪ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা, ব্যাংকের সহায়তায় ভূয়া প্লেজন্টের মাধ্যমে গ্রাহক কর্তৃক অর্থ আত্মসাৎ এবং গ্রাহককে অতিরিক্ত ড্রয়িং সুবিধা দেয়ায় সর্বমোট ১৭৪ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকা আদায় অনিশ্চিত, অতিরিক্ত ড্রয়িং সুবিধা দেয়ায় প্লেজ ঘাটতিজনিত অর্থ অপরিশোধিত থাকায় এবং রফতানি করা হিমায়িত চিংড়ি গুণগত মানসম্পন্ন না হওয়ার প্রেক্ষিতে বিদেশ হতে ফেরত আসায় বিলমূল্যের অর্থসহ সর্বমোট ১৪৬ কোটি ৩৬ লাখ ১০ হাজার টাকা আদায় অনিশ্চিত, এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী আমদানির লক্ষ্যে সহায়ক জামানত গ্রহণ ব্যতিরেকে প্রদত্ত ডিমান্ড লোন শর্ত মোতাবেক আদায় না করায় মেয়াদোত্তীর্ণ ১২৪ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা 'বেড এন্ড লস' এ পরিণত হওয়ায় ক্ষতি, ব্যাক টু ব্যাক রফতানি কার্যক্রম না হওয়া সত্বেও আইবিপি খাতে বেনিফিশিয়ারি হতে ক্রয়কৃত বিলের পরিশোধিত অর্থ গ্রাহক হতে আদায় করতে না পারায় ব্যাংকের ক্ষতি ৬১ কোটি ৯৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা- বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ, প্রশ্ন উত্তর ও জেরা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে একটি আপত্তি নিষ্পত্তি, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রসমূহে অনিয়মের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ ও অনাদায়ী অর্থ আদায়ের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এইচকে/জেডএস

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও