কলকাতা গেলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ | ৮ আষাঢ় ১৪২৫

কলকাতা গেলেন প্রধানমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ, মে ২৫, ২০১৮

print
কলকাতা গেলেন প্রধানমন্ত্রী

দু’দিনের সফরে কলকাতার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শুক্রবার সকাল আটটা ৫০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি রওনা হন। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, তিন বাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

সফরের প্রথম দিনে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বিশ্বভারতীর সমাবর্তন অনুষ্ঠান এবং বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন ছাড়াও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

প্রধানমন্ত্রী কলকাতার নেতাজী সুবাস চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকেই হেলিকপ্টারে বীরভূমের শান্তি নিকেতনে যাবেন।

শান্তি নিকেতনে বিশ্ব ভারতীর ভিসি অধ্যাপক সবুজ কলি সেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র ভবনে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সমাবর্তন শেষে বিশ্বভারতীতে বাংলাদেশ ভবনের ফলক উন্মোচন করবেন দুই প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বভারতীর ভিসি ও দুই প্রধানমন্ত্রী এ অনুষ্ঠানে বক্তব্যও দেবেন।

বিশ্বভারতীর অনুষ্ঠান থেকে হেলিকপ্টারে কলকতায় ফিরে হোটেল তাজ বেঙ্গলে উঠবেন শেখ হাসিনা। ভারত সফরের সময় এই হোটেলেই অবস্থান করবেন তিনি।

কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও বক্তৃতা দেবেন।

এরপর রাত আটটায় পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নিবেন তিনি।

সফরে পরদিন শনিবার সকাল ১১টায় পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধি গ্রহণ করবেন শেখ হাসিনা।

একই দিন বিকেল চারটা ২০ মিনিটে নেতাজী জাদুঘর পরিদর্শন (নেতাজী ভবন) করবেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

ওই রাতেই দেশের উদ্দেশে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরেও তিস্তার পানিবণ্টনসহ দু’দেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলো ঘুরে ফিরে আলোচনায় আসছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সফর করেন। তার আমলে দু’দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হলেও তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি সই হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আপত্তির কারণে চুক্তি সই হতে পারেনি।

২০১৭ সালে ফিরতি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত যান। ওই সময়েও তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি সই হবে বলে আশা করা হচ্ছিল। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

এরপর ভারতের পর্যটন নগরী গোয়ায় ব্রিকস-বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনেও দু’নেতার মধ্যে বৈঠক হয়।

এরপর সর্বশেষ চলতি বছরের এপ্রিলে লন্ডনে ২৫তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনের (সিএইচওজিএম) সাইডলাইনে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন শেখ হাসিনা। তবে তিস্তার পানিবণ্টন ইস্যুতে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এসইউজে/আইএম

 
.




আলোচিত সংবাদ