জাতীয় পরিচয়পত্রে যুক্ত হচ্ছে শিক্ষাগত যোগ্যতা

ঢাকা, সোমবার, ২১ মে ২০১৮ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

জাতীয় পরিচয়পত্রে যুক্ত হচ্ছে শিক্ষাগত যোগ্যতা

পরিবর্তন প্রতিবেদক ২:১৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮

print
জাতীয় পরিচয়পত্রে যুক্ত হচ্ছে শিক্ষাগত যোগ্যতা

জাতীয় পরিচয়পত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেই সঙ্গে পরিচয়পত্রে নতুন করে স্থানান্তরও সংযুক্ত করা হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সিআরভিএস আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এতদিন জাতীয় পরিচয়পত্রে ৬টি বিষয় উল্লেখ থাকতো। এখন আমরা নতুন করে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও স্থানান্তর সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি।

‘সিআরভিএস বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন, ২০১৮ এবং কালীগঞ্জ মডেল’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজক বাংলাদেশ ক্যাবিনেট ডিভিশন সিআরভিএস সচিবালয়।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ইডওয়ার্ড বিয়াগবেডার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিলিপ ডব্লিউ স্টিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিগুলোর পরিধি বাড়াতে সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকসকে (সিআরভিএস) আরো তথ্য সমৃদ্ধ করা হচ্ছে। সিআরভিএসে এতদিন ৬টি বিষয়ে তথ্য থাকলেও এখন থেকে সেখানে নাগরিকের স্থানান্তর ও শিক্ষা বিষয়ক আরো দুটি তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো জানানো হয়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম, মৃত্যু, মৃত্যুর কারণ, বিবাহ, তালাক, এবং দত্তক এ ছয়টি বিষয় উল্লেখ থাকে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এখন সেখানে জনগণের স্থানান্তর ও শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আর এজন্য পাইলট প্রকল্পের মডেল হিসেবে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলাকে নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সেখানে শিশুর ইপিআই টিকাদান কার্ডে এবং রেজিস্টারে নিবন্ধন সনদের নম্বর উল্লেখের বিধান বাধ্যতামূলক হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ মডেল অনুসরণ করে বর্তমানে ঢাকার বাইরের ৬টি উপজেলা, কালীগঞ্জসহ গাজীপুরের ৫টি উপজেলা এবং ময়মনসিংহের ২টি উপজেলাসহ মোট ১৩টি উপজেলায় পাইলটিংয়ের মাধ্যমে এ কর্মসূচির সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়নাধীন এলাকায় শতকরা ৯৫ ভাগ জন্ম নিবন্ধন এবং মৃত্যু নিবন্ধন শতকরা ৮৫ ভাগে উন্নীত হয়েছে। এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে বিদ্যমান আদম শুমারি ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সাধিত হবে।

এফএ/আইএম

 
.




আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad