দুবাইয়ে গ্রেফতার সন্ত্রাসী জিসানকে দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২০ | ১৮ চৈত্র ১৪২৬

দুবাইয়ে গ্রেফতার সন্ত্রাসী জিসানকে দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১২:২৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০৪, ২০১৯

দুবাইয়ে গ্রেফতার সন্ত্রাসী জিসানকে দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহর থেকে দেশের তালিকাভুক্ত পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করার পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে নতুন করে শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের নাম আলোচনায় আসে। এই যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে জিসানের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে এবং তারা অসংখ্যবার বৈঠক করেছেন এমন খবরও প্রকাশিত হয় গণমাধ্যমে।

জিসানকে গ্রেফতারের তথ্য শুক্রবার পরিবর্তন ডটকমকে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সদর দফতরের এআই‌জি (মি‌ডিয়া এন্ড পিআর) ‌মো. সো‌হেল রানা।

তিনি বলেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এনসিবি শাখার উদ্যোগে ও এনসিবি (ইন্টারপোল) দুবাইয়ের সহযোগিতায় শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা‌কে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

প্রসঙ্গত, ইন্টারপোলের লাল তালিকায় রয়েছে এই শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের নাম। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে জিসান সম্পর্কে বলা আছে, তার বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড ঘটানো এবং বিস্ফোরক বহনের অভিযোগ আছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত এক দশকে যে ২৩ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল, তাদের মধ্যে জিসান অন্যতম।

২০০৩ সালে মালিবাগের একটি হোটেলে দুইজন ডিবি পুলিশকে হত্যার পর আলোচনায় আসে জিসান। এর পরই গা ঢাকা দেয়। ২০০৫ সালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মুখে সে দেশ ছেড়ে যায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে পালিয়ে ভারতে প্রবেশ করে জিসান। এর পর নিজের নাম পরিবর্তন করে আলী আকবর চৌধুরী নামে ভারতীয় পাসপোর্ট সংগ্রহ করে। বর্তমানে সেই পাসপোর্টেই দুবাইয়ে অবস্থান করছিল এই শীর্ষ সন্ত্রাসী।

ঢাকার গুলশান, বনানী, বাড্ডা, মতিঝিলসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় তার একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। জিসান দুবাইয়ে অবস্থান করলেও প্রায়ই তার নামে রাজধানীতে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধ সংঘটিত হয়ে আসছিল। এসবের টাকা নিয়মিত তার কাছে পাঠাতো তার সহযোগীরা।

পিএসএস/আরপি

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও