ছাত্রের সঙ্গে দেখা করতে বেরিয়ে ম্যাপল লিফের শিক্ষিকা নিখোঁজ

ঢাকা, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

ছাত্রের সঙ্গে দেখা করতে বেরিয়ে ম্যাপল লিফের শিক্ষিকা নিখোঁজ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:৩৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০১৭

print
ছাত্রের সঙ্গে দেখা করতে বেরিয়ে ম্যাপল লিফের শিক্ষিকা নিখোঁজ

এবার রাজধানীর গ্রিন রোড থেকে একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা নিখোঁজ হয়েছেন। ফেরদৌসি একরাম ফৌসিয়া নামের ওই নারী ধানমণ্ডির ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের গণিত বিষয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার ১৫ দিন কেটে গেলেও তার কোনো খোঁজ বের করতে পারেনি পুলিশ। ওই ঘটনায় কলাবাগান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

.

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক পরিবর্তন ডটকমকে জানান, ফেরদৌসি গ্রিন রোডের একটি অ্যাপার্টমেন্টে পরিবার নিয়ে থাকতেন। ২ জুলাই সন্ধ্যায় এক ছাত্রের সঙ্গে দেখা করার জন্য তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর আর তার কোনো খোঁজ মেলেনি।

ওসি বলেন, ‘রহস্যজনক ব্যাপার হলো ফেরদৌসি বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সঙ্গে তার মোবাইল ফোনটি নিয়ে যাননি। তিনি স্বেচ্ছায় নিখোঁজ হয়েছেন নাকি তাকে কেউ অপহরণ করেছে আমরা তা জানার চেষ্টা করছি। তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফেরদৌসি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স এবং আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষ করে ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাবাও একই স্কুলের শিক্ষক।

চার বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয় ফেরদৌসি খুবই ধর্মভীরু ও পর্দানশীল ছিলেন। তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন ও নিয়মিত বোরকা পড়তেন। কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে ফেরদৌসি নিখোঁজ হয়েছেন কিনা সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এর আগে রাজধানীর বনানী থেকে একই দিনে চার যুবক নিখোঁজ হন। নিখোঁজরা হলেন—ইমাম হোসেন (২৭), তাওহীদুর রহমান (২৬), কামাল হোসেন (২৪) ও হাসান মাহমুদ (২৬)।

নিখোঁজদের পরিবারের পক্ষ থেকে ওই ঘটনায় বনানী থানায় দু’টি জিডি করা হয়েছে। নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজন বনানীর একটি আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। এ তিনজনের মধ্যে দু’জন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ছিলেন।

নিখোঁজ কামাল হোসেনের মামা রশিদ আলম ৩ জুন রাতে বনানী থানায় একটি জিডি করেন। পরদিন নিখোঁজ ইমাম হোসেনের বাবা বিল্লাল হোসেন বনানী থানায় আরো একটি জিডি করেন। এ দুই জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন বনানী থানার এসআই বজলুর রহমান।

পিএসএস/এনডিএস

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad