রাজীবের মৃত্যু: অভিযোগপত্রে পরিবারের নারাজি
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০ | ১৯ চৈত্র ১৪২৬

রাজীবের মৃত্যু: অভিযোগপত্রে পরিবারের নারাজি

আদালত প্রতিবেদক ৫:২৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২০

রাজীবের মৃত্যু: অভিযোগপত্রে পরিবারের নারাজি

কারওয়ানবাজারে দুই বাসের রেষারেষিতে তিতুমীর কলেজের স্নাতকের ছাত্র রাজীব হোসেনের মৃত্যুর মামলায় দুই বাস চালকের বিরুদ্ধে পুলিশের দেয়া চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি দিয়েছেন তার মামা জাহেদুল ইসলাম।

বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে নারাজির আবেদন দাখিল করা হয়।

এদিন বিচারক প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আগামী ১ এপ্রিল পরবর্তী তারিখ রেখেছেন।

ওইদিন নারাজি আবেদনের ওপর সবিস্তার শুনানি ও জাহেদুলের বক্তব্য শুনবেন বিচারক।

‘তদন্ত এবং অভিযোগপত্রে ত্রুটি, অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের কারণে’ নারাজি আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজিবের মামা জাহেদুল।

নারাজিতে বলা হয়, অভিযোগপত্রে দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা যুক্ত না করে স্বল্পমাত্রার শাস্তির ৩০৪(খ) ধারা যুক্ত করা হয়েছে। সততার সঙ্গে তদন্ত করলে ৩০৪ ধারা যুক্ত করা হতো। সে কারণে আমি রাজিবের স্থলবর্তী হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে নারাজি আবেদন করেছি।

বাদীপক্ষের অগোচরে গত ২২ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মো. ইদ্রিস আলী ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন বলেও জানান তিনি।

২ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণের তারিখের দিন বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজীবের পরিবার।

আসামিরা হলেন— বিআরটিসি বাসের চালক ওয়াহিদ ও স্বজন পরিবহনের বাসচালক মো. খোরশেদ। বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছেন। বুধবার দুই আসামিই আদালতে হাজির ছিলেন।

প্রসঙ্গত ২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বিআরটিসির একটি দ্বিতল বাসের পেছনের ফটকে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন তিতুমীর কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব হোসেন। হোটেল সোনারগাঁওয়ের বিপরীতে পান্থকুঞ্জ পার্কের সামনে পৌঁছলে হঠাৎ পেছন থেকে স্বজন পরিবহনের একটি বাস বিআরটিসির বাসটি ঘেঁষে অতিক্রম করে। এ সময় দুই বাসের চাপে রাজীবের ডান হাত কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার মাথায়ও প্রচণ্ড আঘাত লাগে। ১৪ দিন চিকিৎসার পর ১৭ এপ্রিল মারা যান রাজিব।

এমআই/এসবি

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও