ডাকাতি ও হত্যায় ৮ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০ | ২৫ চৈত্র ১৪২৬

ডাকাতি ও হত্যায় ৮ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড

আদালত প্রতিবেদক ২:৫৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০

ডাকাতি ও হত্যায় ৮ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ডাকাতি করতে গিয়ে গৃহকর্তার মেয়ে সাবেকুন্নাহারকে (৮) খুনের মামলায় ৮ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সাজেদুল ইসলাম সজল, মো. সোহাগ শরীফ, সাকিব হাসান সিজার, মেরাজুল শেখ ওরফে মিরাজ ওরফে মিজান, আনোয়ার হোসেন ওরফে হৃদয়, শাহ ইমাম হোসেন রনি, মাসুদ শাহ এবং সাগর হাওলাদার।

দণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরো এক বছর করে বিনাশ্রমে কারাভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে সাজেদুল ইসলাম সজল রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর সাত আসামি পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ মে আসামি সজল ও মাসুদ উত্তর যাত্রাবাড়ীর তহুরা খাতুনের ৭৬/১-এল/১৩ বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে ওঠে। নিচতলার বাসায় বিদ্যুতের সমস্যা এজন্য পরদিন তারা তহুরা খাতুনের বাসায় গিয়ে কলিং বেল দিলে তার মেয়ে সাবেকুন্নাহার দরজা খুলে দেয়। সজল ও মাসুদ ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ে। পরে আরো ছয়জন সেখানে ঢুকে পড়ে। পরে আসামিরা তহুরা বেগমের হাত ও পা দড়ি দিয়ে বেঁধে এবং মাথাসহ মুখ টেপ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখে। সাবেকুন্নাহার চিৎকার দিলে আসামিদের একজন চাপাতির উল্টো পাশ দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। আসামিরা তাকে পাশের রুমে নিয়ে দড়ি, টেপ, টাই ও ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে মেরে ফেলে। পরে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

এ ঘটনায় তহুরা বেগম যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

আসামিদের মধ্যে সাকিব, রনি, সোহাগ, সজল এবং মিরাজ দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

এমআই/এইচআর

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও