‘দোহারে প্রতীকী হজ’, ভণ্ডপীরের সাজা
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ | ২০ চৈত্র ১৪২৬

‘দোহারে প্রতীকী হজ’, ভণ্ডপীরের সাজা

আদালত প্রতিবেদক ৬:৩৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০

‘দোহারে প্রতীকী হজ’, ভণ্ডপীরের সাজা

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং প্রতারণার মামলায় দোহারের লটাখোলায় ভণ্ডপীর মো. মতিউর রহমানসহ নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ এফ এম মারুফ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত অপর আসামিরা হলেন- সেন্টু পীর, শুকুর, লিয়াকত, কাজল, জিন্টু, আলমাছ, জুলহাস ও আরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ারুল কবীর বাবুল জানান, মতিউর রহমানকে পৃথক দুই ধারায় তিন বছর এবং অপর আসামিদের এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জিন্টু এবং আরিফুল ইসলাম মামলাটিতে পলাতক রয়েছে। রায় ঘোষণার সময় সাত আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং প্রতারণার অভিযোগে মতিউর রহমানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর দোহার থানায় মামলাটি দায়ের করেন সংশ্লিষ্ট থানার এসআই মো. তছলিম উদ্দিন।

মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর নিউজ ২৪ চ্যানেলে প্রচারিত ‘টিম আন্ডার কভার’ সংবাদে জানা যায় দোহার থানাধীন লটাখোলায় ভণ্ডপীর মতিউর রহমান তার সঙ্গীসহ প্রতারণার মাধ্যমে মুসলিম নারী ও পুরুষদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে।

বাদী খোঁজ নিয়ে আরো জানতে পারেন, আসামিরা এলাকার সহজ, সরল নারী ও পুরুষদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে সাড়ে ৭০০ করে টাকা নিয়ে পবিত্র হজের ন্যায় প্রতীকি অবস্থার সৃষ্টি করে হজ পালন করায়। ভণ্ডপীর মতিউর রহমান তার সহযোগীদের নিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে মিথ্যা ভ্রান্ত ধারণা প্রদান করে মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে মুরিদ তৈরি করে। এছাড়া নারীদের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করায় বলে বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন।

মামলাটি তদন্ত করে দোহার থানার পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম শেখ ২০১৭ সালের ৩০ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরের বছর ৩ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচারকাজ ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

এমআই/এএসটি

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও