ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

ঢাকা, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১১ ফাল্গুন ১৪২৬

ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৪:৪৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২০

ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা এবং অসত্য তথ্য দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খানের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ওয়াসার এমডিকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনকারী মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে আইনজীবী আমাতুল করীম ও ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী উম্মে সালমা।

গত ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট পরিবেশগত ছাড়পত্র ও ইপিটি ছাড়া বুড়িগঙ্গা তীরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের তথ্যাদিসহ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরকে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে যেসব সুয়ারেজ লাইন দিয়ে বুড়িগঙ্গায় বর্জ্য পড়ছে, সেগুলো ছয় মাসের মধ্যে বন্ধে ওয়াসার যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে হলফনামা আকারে আদালতে প্রতিবেদন দিতেও বলা হয়।

ওই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকায় নদীর তীরবর্তী পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন ২৩১টি শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে জানিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর আদালতে প্রতিবেদন দেয়। শুনানি নিয়ে ২০ জানুয়ারি হাইকোর্ট বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকায় নদীর তীরে থাকা পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন ২৩১টি শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অবিলম্বে বন্ধ করতে নির্দেশ দেন।

নির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ে ওয়াসা কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন ওপর গতকাল বুধবার শুনানি হয়।

বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে এইচআরপিবির পক্ষে ২০১০ সালে একটি রিট করা হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১১ সালের ১ জুন তিন দফা নির্দেশনাসহ রায় দেওয়া হয়। এর মধ্যে বুড়িগঙ্গায় বর্জ্য ফেলা বন্ধে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এবং বুড়িগঙ্গা নদীতে সংযুক্ত সব পয়ঃপ্রণালির লাইন (সুয়ারেজ) ও শিল্পকারখানার বর্জ্য নিঃসরণের লাইন ছয় মাসের মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে ওই নির্দেশনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়ায় গত বছরের ৩০ এপ্রিল সম্পূরক আবেদন করে এইচআরপিবি।

ওএস/এসবি

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও