পুলিশের ওপর হামলা: নব্য জেএমবির দুই সদস্য গ্রেফতার

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৬

পুলিশের ওপর হামলা: নব্য জেএমবির দুই সদস্য গ্রেফতার

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:২৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০২০

পুলিশের ওপর হামলা: নব্য জেএমবির দুই সদস্য গ্রেফতার

রাজধানীতে পুলিশের ওপর বোমা হামলার ঘটনায় নব্য জেএমবির ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট।

সোমবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

তিনি জানান, রোববার রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এই দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়৷ তারা গুলিস্তান, মালিবাগ, সাইন্স্যাল্যাবসহ ঢাকা শহরের ৫টি স্থানে পুলিশের ওপর বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. জামাল উদ্দিন রফিক ও মো. আনোয়ার হোসেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪টি মোবাইল ফোন ও ১ টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।

মনিরুল ইসলাম জানান, আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, তারা নব্য জেএমবির সক্রিয় সদস্য এবং ঢাকা শহরে পুলিশের ওপর ৫টি স্থানে বোমা হামলার সাথে সরাসরি জড়িত।

তিনি বলেন, গ্রেফতার রফিকের নেতৃত্বে ২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল গুলিস্তানে, ২৬ মে মালিবাগে, ২৩ জুলাই পল্টন মোড় ও খামারবাড়ি এবং সর্বশেষ ৩১ আগস্ট সাইন্সল্যাব মোড়ে পুলিশের ওপর বোমা হামলা করা হয়। পুলিশের ওপর নিক্ষিপ্ত বোমাগুলো রফিক তার বাড়িতে তৈরি করেছিল।

উল্লেখ্য, পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় এর আগে ফরিদ উদ্দিন রুমি, আব্দুল্লাহ আজমীর, মেহেদী হাসান তামিম, মিশুক খানসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।

২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর নারায়নগঞ্জের তক্কার মোড়ে রফিকের বোমা তৈরির কারখানায় কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট অভিযান চালিয়ে তাজা বোমাসহ বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকদ্রব্য ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করে।

পুলিশ কর্মকর্তা মনির জানান, গ্রেফতাররা কালো পোশাক পরে খেলনা অস্ত্র, বোমাসহ সুইসাইডাল ভেস্ট পরে বিভিন্ন উগ্রবাদী কথাবার্তা সম্বলিত একটি ভিডিও ক্লিপ অনলাইনে প্রচার করেছিল। ভিডিওতে জামাল উদ্দিন, রফিক, ফরিদ উদ্দিন রুমি, আব্দুল্লাহ আজমীর এবং আনোয়ার অংশগ্রহণ করেছিল।

তিনি আরো বলেন, পুলিশের মনোবল ভেঙে দেয়াসহ তাদের উগ্রবাদী সংগঠনের সক্ষমতা ও রিক্রুটমেন্ট ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে অনলাইনে ভিডিও ক্লিপটি প্রচার করা হয়েছিল।

পিএসএস/আরপি

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও