সগিরা হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়ে চার্জশিট

ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬

সগিরা হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়ে চার্জশিট

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:৫৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২০

সগিরা হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়ে চার্জশিট

৩০ বছর আগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের সামনে সগিরা মোর্শেদ সালামকে গুলি করে হত্যা মামলার ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়ে চার্জশিট জমা দিচ্ছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বৃহস্পতিবার সকালে ধানমন্ডিতে  পিবিআই সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআইয়ের প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার।

আসামি চারজন হলেন- সগিরা মোর্শেদের স্বামীর ভাই ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহীন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তা আনাস মাহমুদ রেজওয়ান ও আবাসন ব্যবসায়ী মারুফ রেজা।

গত ১০ নভেম্বর আনাস মাহমুদ, ১১ নভেম্বর ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহীন, ১৩ নভেম্বর মারুফ রেজাকে গ্রেফতার করা হয়। তারা চারজনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পিবিআই প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, ৮ জন সাক্ষীর ভিত্তিতে এই চার্জশিট বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে জমা দেওয়া হবে।

এদিকে চার্জশিটে সগিরা মোর্শেদ হত্যাকাণ্ডে সন্দেভাজন হিসেবে গ্রেফতার ২৫ জনকে দায় থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি চুরি হওয়ায় তার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পিবিআই।

এর আগে উচ্চ আদালতের নির্দেশে এ হত্যা মামলার তদন্ত শুরু করে পিবিআই। এরপর টানা ১৮০ দিন তদন্ত করে সংস্থাটি। এরই প্রেক্ষিতে ত্রিশ বছর পর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়।

১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই বিকেল পাঁচটার দিকে মোসাম্মৎ সগিরা মোর্শেদ সালাম (৩৪) তার ভিকারুননিসা স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে সারাহাত সালমাকে (৮) আনতে যান। স্কুলের সামনে পৌঁছামাত্রই অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা তার হাতে থাকা স্বর্ণের বালা টেনে খুলে নেয়ার চেষ্টা করে। বালা নিতে না পেরে সগিরার কাছে থাকা হাতব্যাগ নেয়ার চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে তাকে গুলি করে।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে সগিরার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সগিরার স্বামী আব্দুস ছালাম চৌধুরী বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

পিএসএস/এইচকে

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও