মনিরের স্বীকারোক্তি: বমির পরও আবরারকে পেটানো বন্ধ হয়নি
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০ | ২১ আষাঢ় ১৪২৭

মনিরের স্বীকারোক্তি: বমির পরও আবরারকে পেটানো বন্ধ হয়নি

আদালত প্রতিবেদক ১১:৩৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০১৯

মনিরের স্বীকারোক্তি: বমির পরও আবরারকে পেটানো বন্ধ হয়নি

বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মনিরুজ্জামান মনির মঙ্গলবার বিকেলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে দিয়েছেন। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী তার জবানবন্দি গ্রহণ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জবানবন্দিতে মনির বলেন, ১৫তম ব্যাচের বড় ভাইরা ডাকতে বলেছিলেন। তাই ওরে (আবরার) ডেকে নিয়েছিলাম। অনিক ও সকাল বেশি পিটিয়েছে। অনিক, রবি ও রাসেলের নির্দেশে আমি আবরারকে তার রুম থেকে ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে যাই। এ সেখানে অনিক ও রবিন ছাড়াও আরো অনেকে উপস্থিত ছিল। এরপর আবরারের কাছ থেকে হলে আরো কারা কারা শিবিরের ঘনিষ্ঠ জানতে চাওয়া হয়। এ সময় প্রথমে চুপ থাকলে তাকে প্রথমে হুমকি ধমকি দেওয়া হয়। এরপর যে যার মত চর থাপ্পড় মারে। এক পর্যায়ে অনিক স্টাম্প দিয়ে আবরারকে পেটাতে থাকে। ওই সময় আমিও আবরারকে চর থাপ্পড় মারতে থাকি।’

মনির স্বীকারোক্তিতে আরো বলেন, ‘সকাল, জিসান, তানিম, সাদাত, মোরশেদ বিভিন্ন সময় ওই কক্ষে আসে এবং আবরারকে পেটায়। মোয়াজ, বিটু, তোহা, বিল্লাহ ও মুজাহিদও ঘুরে ফিরে এসে আবরারকে পেটায়। একপর্যায়ে আবরার নিস্তেজ হয়ে পড়ে। কয়েকবার বমিও করে। এতেও পেটানো বন্ধ করা হয়নি। একপর্যায়ে আবরারকে ধরাধরি করেন তানিম, মেয়াজ, জেমি সিঁড়ির দিকে নিয়ে যায়। পেছনে মোরশেদ, মুজাহিদ, তোহা, বিল্লাহ, মাজেদও ছিল। পরে ডাক্তার ডাকা হয়। ডাক্তার এসে বলেন আবরার মারা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর রাত ৮টার পর ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে আনার পর তাকে শিবির বলে সন্দেহ করে স্টাম্প দিয়ে সবাই মিলে পেটায়। মুজাহিদ ও কয়েকজন স্কিপিং দড়ি দিয়েও পেটান। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এআরই

 

: আরও পড়ুন

আরও