মাদক ব্যবসা করি না বরং এর বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম: এমপি মিজান

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮ | ১৩ বৈশাখ ১৪২৫

মাদক ব্যবসা করি না বরং এর বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম: এমপি মিজান

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:৪৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৬, ২০১৮

print
মাদক ব্যবসা করি না বরং এর বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম: এমপি মিজান

মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে খুলনা-২ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি মিজানুর রহমান মিজান জানিয়েছেন, মাদক ব্যবসা করি না, বরং আমি এর বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। আমার আগামী দিনের সন্তানরা যাতে ভালো থাকে এর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, তা নিয়েছি।'

সোমবার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে খুলনা-২ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি মিজানুর রহমান মিজান দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মিজানুর রহমান মিজান বলেন, 'দুদক অনুসন্ধানের জন্য ডেকে যেসব অভিযোগ করেছে আমার বিরুদ্ধে। সে বিষয়গুলো তাদের কাছ থেকে অবগত হলাম। এ ধরনের অভিযোগের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।'

তিনি বলেন, 'আমার জনপ্রিয়তায় কিছু মানুষ ভীত হয়ে আমার বিরুদ্ধে একটা মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।'

তিনি আরো বলেন, 'দুদক যে তদন্ত করছে, আমি চাই এই তদন্ত হোক। তদন্তের মাধ্যমে যারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, মিথ্য তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।'

কারা ষড়যন্ত্র করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'কারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, সেটা স্পেসিফিকভাবে বলতে চাইছি না। তবে একটি ক্ষমতাশালী মহল আমার বিরুদ্ধে দুদকে চিঠি দিয়ে দিয়েছে।'

তিনি বলেন, 'আমার নামে বেনামে অবৈধ কোনো সম্পদ নেই। আর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যে অভিযোগ আনা হয়েছে, এটা করার কোনো সুযোগ নেই। কাজ দিয়ে কাজ না করিয়ে টাকা নেওয়া সম্ভব না। কেননা বর্তমানে ই-টেন্ডারে সব কাজ হয়ে থাকে।'

এমপি মিজান বলেন, 'দুদক আমার কাছে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আয়কর হিসাবসহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট চেয়েছে। খুব দ্রুতই এগুলো দুদকে জমা দেব।'

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত টানা ৫ ঘণ্টা ধরে সেগুনবাগিচার দুদক কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

তার বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগে বলা হয়, মিজানুর রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে খুলনা সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য সরকারি অফিসের ঠিকাদারী, নিজ পরিবারের সদস্যদের নামে নামমাত্র কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ এবং মাদকের ব্যবসা করে শত শত কোটি টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

এরপর গত ৭ মার্চ থেকে দুদক খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের এই সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে।

টিএটি/এএল

 
.




আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad