বাঘের আক্রমণ ঠেকাতে গ্রামবাসীর রাত পাহারা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি ২০১৮ | ১০ মাঘ ১৪২৪

বাঘের আক্রমণ ঠেকাতে গ্রামবাসীর রাত পাহারা

মংলা প্রতিনিধি ৭:১৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০১৮

print
বাঘের আক্রমণ ঠেকাতে গ্রামবাসীর রাত পাহারা

মংলার সুন্দরবন সংলগ্ন বৈদ্যমারীসহ আশপাশের এলাকায় বাঘের আতঙ্কে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যা নামলে ওই গ্রামের মানুষ বাঘের গর্জন শুনতে পাচ্ছেন।

ইতোমধ্যে কয়েকটি গবাদি পশুরও ঘাড় মটকেছে সুন্দরবনের এই হিংস্র প্রাণীটি। তাই বন বিভাগ ও গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে  সুন্দরবনসংলগ্ন গ্রামগুলোতে দল গঠন করে রাত জেগে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ওই দলের সদস্য মো. ইমরান বিশ্বাস রোববার সন্ধ্যায় পরিবর্তন ডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ইমরান জানান, ‘সুন্দরবন ও মংলার সুন্দরবন ইউনিয়নের  বৈদ্যমারীকে  পৃথক করেছে খরমা নদী। শীত এলে নদীটি শুকিয়ে যায়। আর এ নদী পার হয়ে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎহীন এ গ্রামে প্রবেশ করে বনের বাঘ।

ইতোমধ্যে কয়েকটি গবাদি পশুরও ঘাড় মটকে খেয়েছে। সবশেষ গত ১১ জানুয়ারি রাতে বৈদ্যমারী গ্রামের মমিন উদ্দিন মুন্সীর গোয়ালের একটি গাভির উপর হামলা চালিয়ে খেয়ে ফেলে বাঘ।

ইমরান বিশ্বাস আরো জানান, ‘সন্ধ্যা নামলে বাঘ যেন গ্রামে ঢুকতে না পারে সেজন্য বন বিভাগ ও গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে মংলার সুন্দরবন সংলগ্ন গ্রামগুলোতে দল গঠন করেছে।

এ দল  বাঘের গর্জন শোনার সাথে সাথে হাত মাইক দিয়ে বাঘ বাঘ বলে চিৎকার চেঁচামেচি করে। ফলে বাঘ বনে পালিয়ে যায়- দাবি ইমরানের।

এছাড়া টিনের বাস্ক পিটিয়ে শব্দ করেও বাঘ তাড়াচ্ছেন তারা। এতে তারা সুফল পাচ্ছেন। মধ্যরাত পর্যন্ত চলে তাদের এ কর্মকাণ্ড- যোগ করেন তিনি।

এদিকে গ্রামে বাঘ আসার ঘটনা স্বীকার করে  বন বিভাগের পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই স্টেশন কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে বৈদ্যমারী এলাকায় বাঘের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

যার কারণে বনের আশপাশের লোকজনকে সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

এমএমএফ/এএল

print
 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad