বিএসএফের হয়রানিতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০ | ২২ চৈত্র ১৪২৬

বিএসএফের হয়রানিতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ

বেনাপোল প্রতিনিধি ৩:৪১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০

বিএসএফের হয়রানিতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ

বিএসএফ কর্তৃক বেনাপোল ও পেট্টাপোল বন্দরের সিএন্ডএফ প্রতিনিধিদের নানাবিধ হয়রানিতে দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল দিয়ে সব ধরনের আমদানি রফতানি কার্যক্রম মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর থেকে বন্ধ রয়েছে। তবে বন্দরে পণ্য লোড আনলোড স্বাভাবিক গতিতে চলছে এবং এ পথে দু’দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।

বুধবার বেনাপোল সিএন্ডএফ ষ্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, ভারত থেকে কোন পণ্য আমদানি হওয়ার সময় আমাদেরকে ভারতীয় সিএন্ডএফ অফিসে যেয়ে আমদানি সংক্রান্ত বিভিন্ন ডকুমেন্টস আনতে হয়। একইভাবে ভারতীয়রাও বেনাপোল চেকপোষ্টে এসে ডকুমেন্টস নিয়ে যায়।

কিন্তু হঠাৎ করে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিএসএফ দু’দেশরে সিএন্ডএফ প্রতিনিধিদের যাওয়া আসা বন্ধ করে দেয় এবং বলে- এভাবে প্রবেশ করা যাবে না, পাসপোর্ট নিয়ে প্রবেশ করতে হবে।

বাংলাদেশ এবং ভারতের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা যদি কাগজপত্র আদান প্রদান করতে না পারে তবে ব্যবসা বাণিজ্য মুখ থুবড়ে পড়বে। এই কাগজ পত্র পেয়ে উভয় দেশে আইজিএম খোলা হয় তারপর মালামাল দু’দেশে প্রবেশ করে। আমদানি রফতানি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আনা নেওয়া করতে না পারায় কোন পণ্যের গেট পাশ করা সম্ভব হয়নি। গেট পাশ না হওয়ায় দু’দেশের মধ্যে আমদানি রফতানি বন্ধ হয়ে গেছে।

তবে সোমবার গেট পাশ করা পণ্যবাহী ট্রাকগুলি বেনাপোল বন্দরে আমদানি হয়ে আসে। আজ (বুধবার) সকাল থেকে আমদানি রফতানি সম্পুর্ণরুপে বন্ধ রয়েছে। বিএসএফ কর্তৃক এ ধরনের হয়রানির প্রতিবাদে বেনাপোল পেট্টাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বন্ধ রয়েছে।

এরফ ফলে দু’দেশের বন্দর এলাকায় আটকা পড়েছে শতশত পণ্যবাহী ট্রাক। যার মধ্যে অধিকাংশই পচনশীল পণ্য ও বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের কাঁচামাল রয়েছে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ যুগ্ম-সম্পাদক আলহাজ জামাল হোসেন বলেন, আমরা বেনাপোল সিএন্ডএফের পক্ষ থেকে ভারতীয় সিএন্ডএফের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে বসেছিলাম। তারা আমাদের জানিয়েছে, এটা ভারতের রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। প্রশাসন ও অন্যান্যদের সাথে কথা বলে পরে জানানো হবে। 

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল বলেন, কোন আলোচনা ছাড়াই বিএসএফের এমন সিদ্ধান্ত বে-আইনী। পেট্টাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাণিজ্য সচল করার চেষ্টা করছি।

এমএফ/

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও