ঝিনাইদহে আট পুলিশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকা, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৪

ঝিনাইদহে আট পুলিশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ৭:৪৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮

print
ঝিনাইদহে আট পুলিশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কচুয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. ইলিয়াস মোল্লাকে প্রধান আসামি করে নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে (শৈলকুপা) মামলাটি দায়ের করেন শৈলকুপা উপজেলার হামদামপুর গ্রামের মো. গোলাম শেখ (৩২)।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- এসআই মো. রাকিব, সিপাহী মো. রেজানুরসহ পাঁচ সিপাহী এবং স্থানীয় মামুনুর রশিদ।

মামলাটি আমলে নিয়ে শৈলকুপা থানার ওসি ও পিবিআইকে তদন্ত এবং বাদীকে নিরাপত্তা দেয়ার মৌখিক নির্দেশ প্রদান করেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী আশরাফুজ্জামান।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শৈলকুপা উপজেলার হামদামপুর গ্রামের ১৭ শতক জমিতে মামলার বাদী গোলাম শেখ দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাস করে আসছেন। উক্ত জমির ৫ শতক নিয়ে মামলার ৪নং আসামি মামুনুর রশিদের সঙ্গে গোলযোগ চলছে। বাদীকে তিনি বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন।

এরপর গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টার দিকে আসামিরা বাদীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। এসময় ১নং আসামি শৈলকুপা থানার কচুয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদের হুকুম দেন।

এরপর মামলার অন্য আসামি এসআই মো. রাকিব, সিপাহী মো. রেজানুরসহ আরও পাঁচজন সিপাহী বাদীর বসতবাড়ির দক্ষিণ দিকে টিনে লাথি মারে এবং ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে মালামাল ভাঙচুর করে।

তারা ঘরের বেড়ার টিন খুলে নিতে থাকে। তদন্ত কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মোল্লা ও মামুনুর রশিদ রাস্তা থেকে ভ্যান ডেকে এনে টিন উঠাতে থাকেন।

এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, এ সময় আমি ঘর থেকে তিন হাজার টাকা প্রধান আসামি ইলিয়াস মোল্লাকে দিতে গেলে তিনি কাঠের বাটাম দিয়ে পেটাতে থাকেন। আমার স্ত্রী আমাকে রক্ষা করতে গেলে এসআই রাকিব ও অন্য পুলিশ সদস্যরা কিল-ঘুষি এবং পরনের কাপড় টানা-হেঁচড়া করে তার শালিনতার হানি ঘটান।

জানতে চাইলে শৈলকুপা থানার কচুয়া পুলিশ কেন্দ্রের ইনচার্জ ইলিয়াস মোল্লা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘মামলা হওয়ার বিষয়ে আমি এখনো কিছুই জানি না। আমার কাছে আইনগত ডকুমেন্ট আছে।’

শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমি ছিলাম না, গতকাল এসেছি। এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।’

এসএএস/এমএসআই

 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad