‘বড় ছেলে’ এত দর্শকপ্রিয় হবে ভাবিনি

ঢাকা, বুধবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৮ | ১০ মাঘ ১৪২৪

‘বড় ছেলে’ এত দর্শকপ্রিয় হবে ভাবিনি

পরিবর্তন ডেস্ক ৮:৫২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৭

print
‘বড় ছেলে’ এত দর্শকপ্রিয় হবে ভাবিনি

মিজানুর রহমান আরিয়ানের ‘বড় ছেলে’ নাটকে অভিনয় করে নতুনভাবে দর্শকের মনে আলোড়ন তোলেন লাক্সতারকা মেহজাবিন। কেমন ছিল কাজের অভিজ্ঞতা? নানা ধরনের চরিত্রে কাজের পরম্পরা নিয়ে কথা বললেন পরিবর্তন ডটকমের সঙ্গে।

আপনি বড় ছেলেনাটকে কাজ করেছেন। কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলুন?

‘বড় ছেলে’ নাটকের কাজটি করে আমার খুবই ভালো লেগেছে। আমি অনেক আনন্দিত। এখানে মধ্যবিত্ত পরিবারের একটা ছেলের লাইফস্টাইল দেখানো হয়। পরিবারের অভাব ও সম্পর্কের নানারকম টানাপোড়েনের ভেতর দিয়ে যে ছেলেটা অনেক লড়াই করে তার পুরো পরিবারকে বাঁচিয়ে রাখে। এবং পরিবারের দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালনের জন্য একসময় ছেলেটি তার গার্লফ্রেন্ডকে ছাড়তে বাধ্য হয়। এই নাটকে রোমান্স যেমন আছে, হাসি-কান্নার আবহও আছে। প্রথমদিকে নাটকের গল্পটি খুব সাধারণ মনে হয়েছিল। কাজ করে ভীষণ ভালো লেগেছে। কিন্তু কাজের সময় ‘বড় ছেলে’ এত দর্শকপ্রিয় হবে ভাবিনি। কাজ করার সময়ে আমাদের টিম মেম্বারদেরও কেউ বুঝতে পারেননি এমন দর্শকের সাড়া পাওয়া যাবে। এই কাজটি আমার জীবনের এখন পর্যন্ত সেরা কাজ। আমি খুব হ্যাপি।

এই নাটকে আপনার কান্না দর্শকেরও চোখ ভিজিয়েছে। নাটকের কান্না ও বাস্তবের কান্নাঅনুভূতি কীরকম হয়?

মানুষ তো নানা সময়ে কাঁদে। মন খারাপ হলে কাঁদে। দুঃখজনক কিছু ঘটলেও কাঁদে। নাটকে কান্নার ব্যাপারটা হচ্ছে, চরিত্রের সঙ্গে মিশে গেলে কান্নাটা চলে আসে। কান্নার বিষয়টা ইমোশনালি যদি ক্যাচ করা যায়, তাহলে কান্নার বিষয়টি সহজ হয়ে যায়। আর আমরা যেমন হাসি, কান্নাটাও সেভাবে তৈরি হয় ভেতরে। অভিনয়ের ক্ষেত্রে বলা যায়, কান্নার ব্যাপারটা আরও বেশি ইনভলব। তবে অনেক সময় নাটকের প্রয়োজনে গ্লিসারিন দিয়ে কান্না আনতে হয়। কিন্তু এই নাটকে আমি সত্যিই কেঁদেছি।

নতুন একটি নাটকে কাজ করছেনআস্থা; এতে কাজ করে কেমন লেগেছে?

এটা অন্যরকম একটি গল্প। ‘বড় ছেলে’ থেকে এই নাটকের গল্পটা একদমই আলাদা। ‘আস্থা’ হচ্ছে ভালোবাসার গল্প। নাটকের গল্প ও ভাবনা সহজেই দর্শকের মনে কানেক্ট করতে পারবে বলে মনে করি। এই নাটকটিও তৈরি করছেন মিজানুর রহমান আরিয়ান। আগামী ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে নাটকটি প্রচারিত হবে। দর্শকের ভালো লাগবে এটুকু বলতে পারি।

নতুন কাজের কথা কিছু বলুন?

নতুন কাজ নাটক ও বিজ্ঞাপনের বেশ কিছু কাজ হাতে আছে। এখনো আমি শিখছি। প্রতিনিয়ত নিজিকে ভাঙছি, তৈরি করছি। ভালো কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। বলতে পারেন, আমি এখনও আমি শিখছি। শেখার তো আর শেষ নেই।

অনামিকার নীল উপাধ্যায় নাটকে আপনি একজন ধর্ষিতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন...

এটা একটা মেয়ের গল্প। এখানে আমার চরিত্রটি একজন ধর্ষিতা নারীর। সমাজে একজন ধর্ষিতা নারী, ভিকটিম হলে কী অবস্থায় পড়ে, কী ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয়, সেসব ভাবনা থেকেই নাটকটি তৈরি হয়েছে। খুব সুন্দর একটি কাজ হয়েছে। গল্প এবং ভাবনাটি সুন্দর। এখানে কাজ করে আমার অনেক ভালো লেগেছে।

 

আপনি দর্শকের ভালোবাসা কেমন উপভোগ করেন?

এটা তো আসলে অর্জন করা। কাজ দিয়ে মানুষের ভালোবাসাটা তৈরি হয়। যেহেতু বিষয়টি ভালোবাসার, কাজেই খুবই ভালোলাগে। আর কোন মানুষ না চায় ভালোবাসা পেতে। এখন যেমন ভালোবাসা পাচ্ছি, আরও কাজ করতে চাই, দশ বছর পরেও মানুষের ভালোবাসাটা পাব সেই আশাও করি।

সাক্ষাৎকার : মাসউদ আহমাদ

print
 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad