চুক্তি থেকে বাদ পড়ে ক্ষুধা বেড়েছে রাব্বির

ঢাকা, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

চুক্তি থেকে বাদ পড়ে ক্ষুধা বেড়েছে রাব্বির

রামিন তালুকদার ৭:৩৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৯, ২০১৮

print
চুক্তি থেকে বাদ পড়ে ক্ষুধা বেড়েছে রাব্বির

‘ও যেমনই খেলুক শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করে। ওকে নিয়মিত খেলানো উচিৎ।’ কথাটা বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার। এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলানোর কথাই বলেছেন অধিনায়ক। আর সেই খেলোয়াড় হচ্ছেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। বাংলাদেশ জাতীয় দলের অনিয়মিত সদস্য। হুটহাট দলে আসেন, আবার বাদও পড়ে যান। তবে একটা কাজ নিয়মিত করে থাকেন, তা হচ্ছে কঠিন পরিশ্রম। নিজেকে উজার করে দলের জন্য খেলে থাকেন। ব্যাটসম্যান না হয়েও ঘণ্টার পর উইকেট কামড়ে পড়ে থাকেন। বল হাতে চেষ্টা করেন নিজের সেরাটা দিতে। আর তাতে শুধু মাশরাফী নয়, মুগ্ধ সব ক্রিকেটবোদ্ধাই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিজের আরো উন্নতি করার চ্যালেঞ্জে নেমেছেন রাব্বি। দুই পেস বোলিং কোচ চম্পাকা রামানায়েকে ও কোর্টনি ওয়ালশকে পেলেই নিবিড় অনুশীলন করছেন। রোববার নিজের সম্পর্কে ও বাংলাদেশের পরবর্তী টেস্ট মিশন নিয়ে কথা বললেন মন খুলেই। তার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো পরিবর্তন ডট কমের পাঠকদের জন্য।

-আপনি বেশ কয়েকবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর করেছেন। সামনে সেখানেই বাংলাদেশের পুর্ণাঙ্গ সিরিজ। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলুন, সেখানে কেমন করতে পারে বাংলাদেশ?

রাব্বি : ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমাদের দল অনেক ভালো করবে এটাই আশা করি। কারণ, আমরা এখন একটা ভালো অবস্থায় আছি। দীর্ঘদিন খেলায় ছিলাম। প্রিমিয়ার লিগ, বিপিএল, বিসিএল শেষ করলাম। সব ফরম্যাটেই আমাদের খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তেমন কোন ঘাটতি নেই। সবাই খেলার ভিতরে আছে। আশা করি ভালো একটা সিরিজ যাবে। সবাই সবার দিক থেকে খুব ভালো পারফর্ম করবে।

-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট সিরিজকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুরুতেই টেস্ট সিরিজ। আপনার অভিজ্ঞতা থেকে বলুন এ সংস্করণে কি কি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ? বিশেষ করে পেস বোলিং ইউনিটে।

রাব্বি : ওখানের আবহাওয়া কিন্তু গরম। বাংলাদেশেরও তাই। তাই আবহাওয়া নিয়ে কোনো ঝামেলা হবে না। ওখানে উইকেট যেমন… আমি যখন খেলেছি তখন স্পোর্টিং উইকেট ছিল। খুব বেশি ঘাস থাকবে না, যেটা কিনা নিউজিল্যান্ডে বা অস্ট্রেলিয়াতে থাকে। আমার মনে হয় না খুব বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। কিন্তু আমাদের মাঠে ভালো পারফর্ম করতে হবে। আর আমাদের, মাশা আল্লাহ যে পাঁচজন নিয়মিত আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় আছেন তারা তো ভালো খেলবেন। আরা আমরা যারা তরুণ আছি তারা যদি ঠিক মতো সমর্থন করতে পারি, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারি ইনশা আল্লাহ আমরা খুব ভালো খেলব।

-অবশ্যই এ সিরিজ দিয়েই দলে ফিরতে চান...

রাব্বি : আমি অবশ্যই চাইবো দলে ফিরতে। যদি আমার উপরে ভরসা রাখে আমি অবশ্যই চেষ্টা করবো আমার আগে যে সমস্ত ভুল আছে, যে ঘাটতি আছে, সেগুলো কাটিয়ে খুব ভালো করে ফিরতে।

-পারফরম্যান্সের কারণে দল থেকে বাদ পড়েছেন। এর মাঝে এমন কি করেছেন যাতে দলে ফিরতে পারেন বলে আশা করেন?

রাব্বি : মাঝে আমি চম্পাকা রামানায়েকে ও কোর্টনি ওয়ালশের সাথে প্রিমিয়ার লিগের মাঝেও অনুশীলন করেছি। আমার যে জিনিসটা ভালো সেটা হলো ধারাবাহিকভাবে জায়গায় বল করা। এটাই আমার মূল লক্ষ্য ছিল। এছাড়া কবজি নিয়ে কাজ করেছি। আমরা তো বেশির ভাগ সময়ে ফ্ল্যাট উইকেটে খেলি। ফ্ল্যাট উইকেটে খেললে আমরা উইকেটে সিম হিট করি। কারণ সুইং থাকে ন। স্পোর্টিং উইকেটে কিন্তু সুইং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সুইং নিয়ে কাজ করছি। যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি, অনুশীলন করেছি, ইনশা আল্লাহ ভালো হবে। বিসিএলেও আমি একটা ম্যাচে ৫ উইকেট, পরের ম্যাচে ৪ উইকেট পেয়েছি। যেসব অনুশীলন করেছি সেগুলো কাজে দিয়েছে। বিসিএলের পারফরম্যান্সে মনে হচ্ছে ভালো করবো।

-আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের বোলিং ইউনিটটা খুব বেশি ভোগে। বিশেষ করে দেশের বাইরে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডে তাই দেখা গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজেও এমন শঙ্কাটা থাকছেই। এ থেকে বের হয়ে আসার জন্য আপনাদের বোলারদের কি পরিকল্পনা?

রাব্বি : দীর্ঘ সময় বোলিং করার জন্য আমাদের আসলে ভালো ফিটনেস দরকার। আর স্পিনাররা সব সময় ভালো করে করছে। আমরা নিউজিল্যান্ডেও স্পিনে ভালো করেছি। তো স্পিন নিয়ে চিন্তা নেই। পেসারদের আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হতে হবে নিজেদের প্রতি। যতক্ষণ বোলিং করবো সেটা যেন শুধু বোলিং করার জন্য না হয়, উইকেট বের করার জন্য যদি বোলিং করি তাহলে ভালো করতে পারব। আমাদের ফিল্ডিং সাজানো, চিন্তায় আরও স্মার্ট হতে হবে। সময় চলে এসেছে চিন্তায় স্মার্ট হয়ে উইকেট বের করে নেওয়ার। দলকে কিভাবে সমর্থন করবো… ধরুন স্পিনারদের বিপক্ষে যদি একটা জুটি হয় তখন পেস বোলারকে নিয়ে আসা হয় জুটিটা ভাঙার জন্য। এই দায়িত্বটা আমাকে বুঝতে হবে। আমাকে কি জন্য বোলিংয়ে আনা হয়েছে সেটা বুঝতে হবে। এই ভাবে স্মার্ট চিন্তা করতে হবে। আর এটা নিজের থেকেই বের করতে হবে। বোলার ওনারশিপ জিনিসটা আনতে হবে আমি মনে করি।

-নিজের ক্ষেত্রে এ পরিকল্পনা কতোটা করতে পারছেন?

রাব্বি : আসলে ওনারশিপে আমার ঘাটতি ছিল…পরিকল্পনা ও চিন্তায়, এসব শিখছি এক-দেড় বছরে। এটা বুঝতে পেরেছি। আন্তর্জাতিক যে ম্যাচগুলো খেললাম সেগুলোতে বুঝতে পেরেছি আসলে কি কি শেখা যায়। আসলে এসব চিন্তা যদি থাকে মাঠের ভিতরে, তখনই উইকেট বের করে দলকে সমর্থন দিতে পারব।

-বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা যায় ক্লোজ ক্যাচিংয়ে। কাছে সহজ ক্যাচগুলোও দেখা যায় ফিল্ডারদের হাত থেকে ফসকে যায়। এবারের লিগে কোন উন্নতি চোখে পড়েছে? কোন কাজ কিংবা বিশেষ ক্যাচ নেওয়া…?

রাব্বি : স্লিপ ক্যাচ, সিলিতে ক্যাচ এবং বল মেইন্টেইন; এই তিনটা জিনিস নিয়ে কিন্তু আমাদের কাজ চলছে। স্লিপের ক্যাচ নেওয়ার জন্য আলাদা ফিল্ডার ফিক্সড করা হলো। এরপর সিলির জন্য আলাদা করা হলো। বল মেইন্টেইন বা সাইন রাখার জন্য আলাদা ফিল্ডার ঠিক করা হয়েছে। পুরোনো বল রিভার্স করার জন্য…তো একেকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখন সমস্যা হবে না মনে হয়।

-আপনি এর আগে 'এ' দলের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজে খেলতে গিয়েছেন। সুযোগ পেলে এবারই প্রথম জাতীয় দলের হয়ে খেলতে যাবেন। তো কি পার্থক্য দেখছেন?

রাব্বি : আমি যাবো কিনা এখনও নিশ্চিত নয়। 'এ' দল, একাডেমি দল থেকে জাতীয় দল অনেক আলাদা। যখন খেলেছি তখন অ্যান্ড্রু রাসেল, জেসন হোল্ডার, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, সুনীল নারিন, ডানজা হায়াত খেলেছিল। এখন ওরাই কিন্তু জাতীয় দল নিয়ন্ত্রণ করছে। আমরা নাসির, মুমিনুল গিয়েছিলাম। তাই ওকরম কোনো পার্থক্য হবে না। পার্থক্য বলতে ওরা এখন অনেক উন্নতি করছে ওদের পারফরম্যান্সে। আমাদেরকেও উন্নতি করতে হবে তাদের সাথে সাফল্য পাওয়ার জন্য।

-কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন এটা নিয়ে কি ভাবছেন? আসলে এই দেশের প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

রাব্বি : এটার দুটা দিক আছে। আপনি অনেক চুক্তি নিয়ে চিন্তা করেন তাহলে একটা। আরেকটা হচ্ছে আপনি এসব নিয়ে না ভেবে শুধু খেলা নিয়ে ভাবা। আমি চুক্তিকে ছিলাম কেন? পারফর্ম করেছিলাম, আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, তাই চুক্তিতে ছিলাম। এখন আমি নেই, তার মানে এটা নয় যে আমি আবার আসতে পারব না। এখন আমার কাজটা করবো সেটা যদি ভালো করতে পারি তাহলে অবশ্যই বিবেচনায় চলে আসব। আর্থিকভাবে সমস্যা অবশ্যই আছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় চুক্তির বা আমাদের বেতনের উপর কিন্তু আমরা নির্ভরশীল নই। ঢাকা লিগ, বিপিএল, জাতীয় ক্রিকেট লিগ, বিসিএল আছে। এসব নিয়ে এখন ভাবছি না। চিন্তাও করছি না। তবে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকলে আত্মবিশ্বাস কাজ করে। আমি চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড়। এটা আত্মবিশ্বাস দেয়। একটা জিনিস হারানোর পর ওইটা পাওয়ার জন্য অনেক ক্ষুধা থাকে। আমি হারিয়েছি কিন্তু ক্ষুধাটা বেড়েছে। এখন আগের থেকে ভালো করলে আবারও ফিরতে পারব।

-তার মানে আপনার উপর ভরসা করে বলেই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ছিলেন। এখন বাদ পড়েছেন মানে কি আপনার উপর ভরসা নেই? এমন অবস্থায় থেকে পারফরম্যান্স করা কতোটা চ্যালেঞ্জিং?

রাব্বি : সবাই কিন্তু জানে না, যে সামনের ম্যাচটা খেলবো কি না। কেউ কেউ জানে যে পুরো সিরিজটা খেলব। এটা আত্মবিশ্বাস। কেউ কেউ ভাবে যে এই ম্যাচটা ভালো খেলে পরের ম্যাচটা নিশ্চিত করবো। সবাই এক ধরনের খেলোয়াড় না, সবাই এক ধরনের মানসিকতারও না। এখন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থাকার অর্থ হচ্ছে এখন আমার থেকে ভালো খেলোয়াড় তৈরি হয়েছে। আমাকে তার থেকে ভালো হতে হবে। এখনও অনেক কিছু দেওয়ার আছে। ক্ষুধা বেড়েছে। আরও ভালো করতে হবে।

-এবারের লিগে বেশ কিছু তরুণ খেলোয়াড় খুব ভালো পারফর্ম করেছে। বিশেষ ১৬-১৭ বছর বয়সের ইয়াসিন আরাফাত মিশু ও শরিফুল ইসলাম। কিন্তু আপনারা যারা অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছেন অনেক বছর ধরে খেলছেন তাদের কাছ থেকে ওই রকম পারফরম্যান্স পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি আপনার কাছেও পাইনি। তো তরুণদের এসব দেখে আপনাদের মাঝে কি প্রতিক্রিয়া হয়?

রাব্বি : আমি যখন খেলা শুরু করি তখন জাতীয় ক্রিকেট লিগে সর্বোচ্চ উইকেট নেই। এবং পরের বছর প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ উইকেট নেই। তখন আমাকে কোনো ব্যাটসম্যান চিনতো না। আউট সুইং না ইনসুইং কোনটা ভালো করি। আমার আজ ৯ বছর ক্রিকেট ক্যারিয়ারের। সবাই জানে যে কামরুল ইসলাম রাব্বী কি বোলিং করে। জায়গায় বল করলে জানে যে আউট সুইং নাকি ইন সুইং হবে। যতটুকু চেনে বা যতটুকু জানে সবার ধারণা হয়ে গেছে। জাতীয় দলের নেটে অনেক বোলিং করেছি। এখন প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচ খেলছি. অন্যান্য লিগেও খেলছি। এখন কথা হচ্ছে স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা কঠিন। আমরা ৮-৯ বছর একটা ধারা ধরে আছি। নতুন খেলোয়াড়রা আসবে, তবে সে ধরে রাখুক। এই পারফরম্যান্স নিয়মিত ধরে রাখতে পারে মোস্তাফিজের মতো…মোস্তাফিজ গত ২-৩ বছর ধরে নিয়মিত ভালো করছে। যেমন মোসাদ্দেক-বিজয়ও করছে। ওরা নিয়মিত করতে পারলে বোঝা যাবে ওরা কতোটা ভালো। একটা ম্যাচে ৭-৮টা প্রথম যখন আমরা আসছি তখন আমরাও নিয়েছি। মূল জিনিস হচ্ছে ধরে রাখা। অবশ্যই তারা অনেক ভালো খেলোয়াড়, দেশকে দেওয়ার অনেক কিছুই তাদের আছে। তবে এ নিয়ে আমাদের কোন চাপ নেই। ৮-৯ বছর খেলে ফেলেছি, এইটুকু জানি একটা ম্যাচ দরকার, ঘুরে দাঁড়াতে বা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে।

-ওই দুই খেলোয়াড়ের উচ্চতা অনেক বেশি, বয়সও কম। ১৬-১৭। আপনার কি মনে হয়?

আমি দেখেছি। মিশু আর আমি এক সঙ্গে গাজী গ্রুপের হয়ে খেলেছি। ও নিয়মিত খেলেনি। তবে একটা ম্যাচে ৮ উইকেট পেয়েছে। আমার মনে হয় নার্সিং করতে হবে। দুই এক বছর যদি একাডেমী ক্যাম্পে ওদের ঘষামাজা করা হয় খুব ভালো বোলার তৈরি হবে। ওদের উচ্চতা ভালো আছে, মেধা আছে। মেধা না থাকলে ৭-৮ উইকেট নিতে পারতো না। ওদের নার্সিং করতে হবে। আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইনজুরি। শুরু করি ১৪০ (কিলোমিটার/ঘণ্টা) দিয়ে, পরে দেখা যায় একটা ইনজুরিতে গতি চলে আসে ১৩০-এ। পরের বছর দলই পাই না। ইনজুরিটা নিয়ন্ত্রণ করাই অনেক কঠিন।

-আপনার কাছে কাকে বেশি ভালো লেগেছে? লিগে তো দেখলেন।

রাব্বি : ভালো, দুই জনই ভালো। তবে আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে হাসান মাহমুদকে। ও দারুণ একজন বোলার। বোলিং অ্যাকশন, রান আপ সবই নিখুঁত। সুইংও আছে ভালো। এ ধরনের অ্যাকশনের খেলোয়াড়রা খুব বেশি ইনজুরিতে পড়ে না, যদিও এখন রিস্টের ইনজুরিতে আছে। হয়কি, অল্প বয়সে লোডটা ওইভাবে নিতে পারে না। এটা ঠিক হয়ে যাবে। আমি বিশ্বাস করি ও এক সময় বাংলাদেশ জাতীয় দলে নিয়মিত খেলবে এবং অনেক দিন খেলবে।

আরটি/ক্যাট

 
.

Best Electronics Products



আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad