রপ্তানি আদেশ মিলবে বাণিজ্য মেলা শেষ হলে

ঢাকা, সোমবার, ২১ মে ২০১৮ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

রপ্তানি আদেশ মিলবে বাণিজ্য মেলা শেষ হলে

কামরুল হিরন ৭:০৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৭, ২০১৮

print
রপ্তানি আদেশ মিলবে বাণিজ্য মেলা শেষ হলে

ক্রেতা দর্শনার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও এবারের বাণিজ্য মেলা শান্তিপূর্ণভাবে সফলতার পথেই এগুচ্ছে। ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও মেলা প্রাঙ্গণে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পণ্য ও খাবারের মূল্য নিয়ে ওঠেনি কোন বড়রকমের অভিযোগ। রপ্তানি আদেশের টার্গেট ২৫০ কোটি টাকা। এই আদেশ আসা শুরু করবে মেলা শেষ হলে।

তবে এখনো কোন রপ্তানি আদেশ পাওয়া যায়নি। মেলা শেষ হওয়ার এক মাস পর থেকে এ আদেশ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানালেন ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) পরিচালক আবু হেনা মোরশেদ জামান।

‘মেলার ১৫ দিন’ শীর্ষক সাক্ষাতে তিনি পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, মূলত মেলা শেষ হবার মাস খানেক পর থেকে মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানে রপ্তানি আদেশ আসা শুরু হয় বিদেশি বায়ারদের কাছ থেকে। যা চলতে থাকে সারা বছর ধরে। গতবছর এ আদেশ ছিল ২১৮ কোটি টাকা আর এবার আমাদের টার্গেট ২৫০ কোটি।

ডিআইটিএফ পরিচালক বলেন, বাণিজ্য মেলা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য আমাদের দেশের অপ্রচলিত পণ্যগুলোকে বিদেশী বায়ারদের কাছে তুলে ধরা। মেলায় এসে তারা এসব পণ্য সম্পর্কে ধারণা নেন এবং পছন্দ হলে পরবর্তীতে তা রপ্তানির আদেশ দিয়ে থাকেন।

এবারের মেলায় কোন অপ্রচলিত পণ্যগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে? জবাবে মোরশেদ জামান বলেন, পাটজাত পণ্য, চামড়ার পণ্য, হ্যান্ডিক্র্যাফটস, ইলেক্ট্রনিক্স, প্লাস্টিক আর ফার্নিচারকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। কারণ আমাদের দেশে এখন আন্তর্জাতিকমানের এসব পণ্য উৎপাদন করছেন উদ্যোক্তরা।

পাশাপাশি দেশের মানুষ ও পরিচিত হচ্ছেন নিত্য নতুন সব পণ্যের সঙ্গে। এতে দেশে-বিদেশে ব্রান্ডিং হচ্ছে আমাদের পণ্য আর এটাই আমাদের লক্ষ্য। কারণ মেলার চেয়ে বড় মার্কেটিং প্লেস তো আর হয়না।

ভোক্তা অধিকার প্রসঙ্গে মেলা পরিচালক বলেন, এবারের মেলায় ভোক্তার অধিকার যাতে কেউ ক্ষুন্ন করতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা শুরু থেকেই সচেতন। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ ব্যাপারে একাধিকবার মিটিং হয়েছে। ফলে এখনো এ সংক্রান্ত তেমন কোন অভিযোগ আসেনি আমাদের কাছে। রেস্টুরেন্টে খাওয়ার পাশাপাশি ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দেই কেনাকাটা করছেন তার পছন্দের পণ্য, নির্ধারিত মূল্যে।

এদিকে মেলার ১৬ তম দিন পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কার্যালয়ে মোট ১৫ টি অভিযোগ পড়েছে।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক(তদন্ত) মাসুম আরেফিন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, মেলার শুরু থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত(১৬তম দিন)মোট ১৫টি অভিযোগ পেয়েছি আমরা। যার মধ্যে ৬টি অভিযোগ আলোচনার মাধ্যমে মিমাংশা হয়েছে। আর বাকি ৯ অভিযোগের ভিত্তিতে ৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৬৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ হারে ১৬ হাজার টাকা অভিযোগকরীদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

এছাড়া অধিদপ্তরের নিজস্ব তদারকিতে আরো ১১টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর জরিমানার এসব টাকা জমা হচ্ছে রাষ্ট্রিয় কোষাগারে।

কেএইচ/এএস

 
.




আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad