বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ১০ ফাল্গুন ১৪২৪

বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:১৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৫, ২০১৮

print
বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

বাংলাদেশ সরকারের আকর্ষণীয় বিনিয়োগ সুবিধা গ্রহণ করে ওষুধ, অটোমোবাইলসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের জন্য চীনা ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) সভাপতি  মোঃ শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন)।

সোমবার এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশে সফররত সিসিপিআইটির (চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড) ১০ সদস্য বিশিষ্ট এক বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মধ্যে আলোচনায় তিনি  এ আহ্বান জানান। সভায় এফবিসিসিআই পরিচালকরা এবং বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের প্রধানরা আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন। 

এছাড়া সভায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ ইকনোমিক জোনস অথরিটি (বেজা) এবং বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনস অথরিটির (বেপজা) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

এসময় এফবিসিসিআই সভাপতি  মোঃ শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন) বলেন, অবকাঠামোগত ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে ৬ শতাংশ হারে অর্জিত হচ্ছে। যা গত দুই বছরে ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ থেকে আগামী ২০২১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের আকর্ষণীয় বিনিয়োগ সুবিধা যেমন- ট্যাক্স হলিডে, করপোরেট কর সুবিধা ইত্যাদি গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করত পারে। বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের বিশাল বাজার সামনে রেখে চীনা কোম্পানিগুলো তাদের কাঁচামাল ব্যবহার করে এদেশে উৎপাদনেও এগিয়ে আসতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সিসিপিআইটির পরিচালক মিস. জোও জিয়া চীন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। এসময় জোও জিয়া বাংলাদেশের সাথে চীনের ঐতিহাসিক বন্ধৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এফবিসিসিআই এবং সিসিপিটিআইটি এর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি চীনেরশ্যানডং প্রদেশ থেকে বাংলাদেশে টেক্সটাইল ও অন্যান্য খাতে অনেক বিনিয়োগ এসেছে বলে উল্লেখ করেন। দু’দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধিতে বাণিজ্য উন্নয়ন কাউন্সিল হিসেবে সিসিপিআইটি কাজ করে যাচ্ছে। চীন ও বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় কোম্পানিগুরোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন এবং অংশীদার খুঁজে পেতে সিসিপিআইটির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে  জানান জিয়া।

উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৯৪৯.৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য চীনে রফতানি করে এবং চীন থেকে ১ হাজার ১২৮.১ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। চীনে বাংলাদেশের রফতানিযোগ্য পণ্যগুলো হচ্ছে ওভেন গার্মেন্টস, চামড়াজাত পণ্য, নীটওয়্যার, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, ফ্রোজেনফুড এবং প্লাস্টিক ও প্লাস্টিক সামগ্রী। আর চীন থেকে মূলত টেক্সটাইল ও টেক্সটাইল সামগ্রী, যন্ত্রপাতি ও ইলেক্ট্রনিকস সামগ্রী আমদানি করা হয়। 

এফএ/এএল

 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad