বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম

ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭ | ১৩ শ্রাবণ ১৪২৪

বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:৩৬ অপরাহ্ণ, মে ১৯, ২০১৭

print
বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম

অন্যান্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম। শুক্রবার রামপুরা, হাতিরপুল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির বাজার অনেকটা স্থিতিশীল। তবে গেল সপ্তাহের তুলনায় রসুন ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

খুচরা বাজারে দেশি রসুনের দাম বেড়ে ১৩০ টাকা থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা। তবে চীনা রসুনের দাম গত সপ্তাহে ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা থাকলেও আজ ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ২৫ টাকা থেকে ২৮ টাকা দরে বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ আজকের বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়। আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল ১৩০ টাকা, ভারতীয় মসুর ডাল ১০০ টাকা, দেশি মুগ ডাল ১২০ টাকা, ভারতীয় মুগ ডাল ১১০ টাকা, মাসকলাই ১৩৫ টাকা এবং ছোলার ডাল ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের মতই।

তবে বিভিন্ন বিক্রেতা রমজানের আগে কিছুটা ডাল ও ছোলার দাম বাড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে ঊর্ধ্বমুখী চালের বাজারে এ সপ্তাহে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়নি। বাজারে কেজি প্রতি মোটা স্বর্ণা চাল ৪২ টাকা থেকে ৪৫ টাকা, ভালোমানের মিনিকেট ৫৫ টাকা, সাধারণ মিনিকেট ৫২ টাকা থেকে ৫৫ টাকা, বিআর২৮ ৪৩ টাকা থেকে ৪৫ টাকা, বাসমতি ৬০ টাকা থেকে ৬২ টাকা, কাটারিভোগ ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব সবজি আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ কেজি প্রতি ৮০ টাকা, শসা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে রোজার আগে কাঁচামরিচ ও শসার দাম বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

লাউ প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ফালি ২০-২৫ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৩০-৪০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৩০ টাকা। বেগুন প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৭০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাকরোল ৫০ টাকা, আলু ১৬ থেকে ২০ টাকা। 

এছাড়া প্রতিকেজি ধুন্দল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, মূলা ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকলা প্রতি হালি ২৫ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, কচু আকার ভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা প্রতি পিস, কচুরমুকি কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নাসরিন আক্তার নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারের প্রত্যেকটি সবজির দাম খুব চড়া। রামজানের সময় ঘনিয়ে আসায় পেঁয়াজ, রসুন, ছোলা, খেজুরের দাম বাড়ছে।

জেডএস/এসবি

print
 

আলোচিত সংবাদ